ঝরা সময়ের গান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ঝরা সময়ের গান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ময়মনসিংহ গীতিকা (গান)

গান- ময়মনসিংহ গীতিকা
কথা- প্রচলিত
সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়

রেকর্ড 

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৬
অ্যালবাম- ঝরা সময়ের গান
শিল্পী- অনুপ বিশ্বাস, বাদল সরকার


কথা

নয়াবাড়ি লইয়ারে বাইদ্যা লাগাইলো বাইঙ্গন,
সেই বাইঙ্গন তুলতে কইন্যা জুড়িল কাইন্দন গো, জুড়িল কাইন্দন।

কাইন্দোনা কাইন্দোনা কইন্যা না কান্দিও আর,
সেই বাইঙ্গন বেইচ্যা দিয়াম তোমার গলার হার গো, তোমার গলার হার।

নয়াবাড়ি লইয়ারে বাইদ্যা লাগাইলো কচু,
সেই কচু বেইচ্যা দিয়াম তোমার হাতের বাজু গো, তোমার হাতের বাজু।

নয়াবাড়ি লইয়ারে
বাইদ্যা লাগাইলো কলা,
সেই কলা বেইচ্যা দিয়াম তোমার গলার মালা গো, তোমার গলার মালা।

নয়াবাড়ি লইয়ারে
বাইদ্যা লাগাইলো চৌকারি,
চৌদিকে মালঞ্চের বেড়া আয়না সারি সারি গো, আয়না সারি সারি।

হাঁস মারলাম কৈতর মারলাম মাইচ্ছা মারলাম টিয়া, 

ভালো কইর‍্যা রাইন্ধ বাইঙ্গন কালা জিরা দিয়া গো, কালা জিরা দিয়া।

যখন ধোঁয়া মেঘে (গান)

গান- যখন ধোঁয়া মেঘে
কথা- জয়জিৎ লাহিড়ী
সুর- সুব্রত ঘোষ


 রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৭
অ্যালবাম- মায়া
শিল্পী- সুব্রত ঘোষ

কথা
যখন ধোঁয়া মেঘে ঢাকা আমার মন
যখন ক্লান্ত ভেবে ভেবে সারাক্ষণ
তখন ধোঁয়া জাল ছিঁড়ে
চেনা সুখের ভিড়ে
নিয়ে আমায় যাবে বলো সে কোন?

যখন হাসির আলো খেলে আমার গানে
যখন শব্দ সবই বদলাতে চায় মানে
তখন তুমি ফিরে আসো
জানি আমায় ভালবাসো
অন্য কোথা অন্য কোনও খানে।

যখন ভাবি আমি তোমায় নিয়ে কত যে সুখী
যখন ভুলে প্রায় গেছি তোমার মুখই
তখন তুমি ফিরে আসো
জানি আমায় ভালবাসো
অন্য কোথা অন্য কোনও খানে।

যখন ধোঁয়া মেঘে ঢাকা আমার মন
যখন ক্লান্ত ভেবে ভেবে সারাক্ষণ...

আমার প্রিয়া কাফে (গান)

গান- আমার প্রিয়া কাফে
কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়


রেকর্ড 

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৬
অ্যালবাম- ঝরা সময়ের গান
শিল্পী- গৌতম চট্টোপাধ্যায়

দ্বিতীয় প্রকাশ- ২০০০
ছায়াছবি- কিছু সংলাপ কিছু প্রলাপ
শিল্পী- গৌতম চট্টোপাধ্যায়

কথা

কাঁপে কাঁপে
আমার হিয়া কাঁপে

এ কী যে কান্ড
এ কী যে কান্ড
এ কী কান্ড, সব পন্ড, এ ব্রহ্মান্ড
শূণ্য লাগে
তুমি ছাড়া শূণ্য লাগে।

কাঁপে কাঁপে
আমার হিয়া কাঁপে

কী যে ছাই চিন্তা
কী যে ছাই চিন্তা
কী ছাই চিন্তা, ওহে কান্তা, পোড়ে প্রাণটা
দুঃখ জাগে
তুমি ছাড়া শূণ্য লাগে।

কাঁপে কাঁপে
আমার হিয়া কাঁপে।

কপালটা মন্দ
কপালটা মন্দ
কপাল মন্দ, লাগে ধন্দ, কাটে ছন্দ
বিরহ রাগে
তুমি ছাড়া শূণ্য লাগে।

কাঁপে কাঁপে
আমার হিয়া কাঁপে

শিরে সংক্রান্তি
শিরে সংক্রান্তি
হে অশান্তি, দাও ক্ষান্তি সব ভ্রান্তি
দূর হোক আগে
কফি ছাড়া শূণ্য লাগে।

কাফে কাফে
আমার প্রিয়া কাফে।

টুকরো কথা

(১) ১৯৬৪ সালে পুয়ের্তো রিকো জাত বিখ্যাত লাতিনো কম্পোজার এডি পামিয়েরি বের করেন তাঁর অ্যালবাম 'Echando pa'lante' এই অ্যালবামের জন্যই গায়ক ইসমেইল কুইনতানা গান 'Café' গানটা। এই 'Café' অনুসরণেই গৌতম আশির দশকের কোনও এক সময়ে বানিয়েছিলেন 'কাঁপে, কাঁপে / আমার হিয়া কাঁপে' (নাকি "Cup-এ, cup-এ/ আমার হিয়া কাঁপে" ;) ?)

(২) নীচের লিঙ্কে অশোক বিশ্বনাথন পরিচালিত কিছু সংলাপ কিছু প্রলাপ ছবিতে স্বয়ং গৌতম চট্টোর গলায় শোনা যাবে গানটা। ওই ছবির সঙ্গীত পরিচালকও ছিলেন গৌতম।


মানুষ চেনা দায় (গান)

গান- মানুষ চেনা দায়
কথা- জয়জিৎ লাহিড়ী
সুর- সুব্রত ঘোষ


রেকর্ড 

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৬
অ্যালবাম- ঝরা সময়ের গান
শিল্পী- সুব্রত ঘোষ

কথা

বাড়লে বয়স সবাই মানুষ হয় কি?
শুনলে কথা মানুষ চেনা যায় কি?
চেনা সহজ নয়,
চিনতে লাগে ভয়
বলি তাই মানুষ চেনা দায়,
(ভাইরে) বলি তাই মানুষ চেনা দায়।

হাত বাড়ালেই বন্ধু পাওয়া যায় না
বাড়ালে হাত বন্ধু সবাই হয় না
পেরিয়ে অনেক পথ
নিলাম এ শপথ
আমি নয় শত্রু হব তাই,
(ভাইরে) আমি নয় শত্রু হব তাই।

হাসলে পরে রসিক সবাই হয় কি?
কান্না এলেই কাঁদতে পারা যায় কি?
হাসির নিচে কান্না,
অনেক হল আর না!
মন খুলে হেসেই যাব তাই,
(ভাইরে) মন খুলে হেসেই যাব তাই

তোমায় দিলাম (গান)

গান- তোমায় দিলাম
কথা- জয়জিৎ লাহিড়ী
সুর- সুব্রত ঘোষ


রেকর্ড 

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৬
অ্যালবাম- ঝরা সময়ের গান
শিল্পী- সুব্রত ঘোষ

কথা

শহরের উষ্ণতম দিনে
পিচগলা রোদ্দুরে
বৃষ্টির বিশ্বাস
তোমায় দিলাম আজ।

আর কী বা দিতে পারি?
পুরোনো মিছিলে পুরোনো ট্রামেদের সারি
ফুটপাথ ঘেঁষা বেলুন গাড়ি
সুতো বাঁধা যত লাল আর সাদা
ওরাই আমার থতমত এই শহরে,
রডোডেনড্রন
তোমায় দিলাম আজ।


কী আছে আর
গভীর রাতের নিয়ন আলোয় আলোকিত যত রেস্তোঁরা
সব থেকে উঁচু ফ্ল্যাটবাড়িটার সব থেকে উঁচু ছাদ
তোমায় দিলাম আজ।

পারবোনা দিতে
ঘাস ফুল আর ধানের গন্ধ স্নিগ্ধ যা কিছু দুহাত ভরে
আজ ফুসফুস খোঁজে পোড়া ডিজেলের আজন্ম আশ্বাস
তোমায় দিলাম আজ।

শহরের কবিতার ছবি,
সবই তোমায় দিলাম আজ।

আর কী বা দিতে পারি?
পুরোনো মিছিলে পুরোনো ট্রামেদের সারি...


তোমায় দিলাম, তোমায় দিলাম, তোমায় দিলাম।

সেই ফুলের দল (গান)

গান- সেই ফুলের দল
কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়

রেকর্ড 

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৬
অ্যালবাম- ঝরা সময়ের গান
শিল্পী- ঋতুপর্ণা দাস, চন্দ্রিমা মিত্র


কথা

রাবেয়া কি রুকসানা ঠিক তো মনে পড়েনা
অস্থির এ ভাবনা শুধু করে আনাগোনা।
ফেলে আসা দিন তার মিছে মনে হয়
নামে কিবা আসে যায়..
সোহাগে আদরে জানি রেখেছিল কেউ এই নাম।

আব্বা না আপা নাকি, কারো মনে পড়ে তাকি
তোমরা তা জানো নাকি, সময় দিয়েছে ফাঁকি।
অভিমানী সে মেয়েটি গেছে হারিয়ে
বুকে ভরসা নিয়ে..
সীমান্ত পেরিয়ে সে এসেছিল ছেড়ে তার গ্রাম।

জানি সে কোথায়, এই শহরে কোনও বাগানে সে হয়ে আছে ফুল
প্রতি সন্ধ্যায় পাপড়ি মেলে দিয়ে সে আবার ভোরে ঝরা বকুল।

সেই মেয়েটির মত আরেকটি মেয়ে সে তো
সন্ধ্যাপ্রদীপ দিত, যতনে গান শোনাতো।
হালকা পায়ে বেড়াত বেণী দুলিয়ে
কে যে নিল ভুলিয়ে..
খেলার সাথীরা তার খুঁজতে আসেনা আর রোজ।

লক্ষ্মী নামের মেয়ে আজও তার পথ চেয়ে
ফেলে আসা তার গাঁয়ে, মা কাঁদে মুখ লুকিয়ে
সন্ধেবেলায় শাঁখ বাজে নাতো আর-
এতে আছে কী বলার?
আজও কেউ জানেনা তো কোথায় সে হয়েছে নিখোঁজ।

জানি সে কোথায়, এই শহরের কোনও বাগানে সে হয়ে আছে ফুল
প্রতি সন্ধ্যায় পাপড়ি মেলে দিয়ে সে আবার ভোরে ঝরা বকুল।

লক্ষ্মী, রুকসানারা, আরও যত ঘরছাড়া
ত্রস্ত দিশেহারা তখনই জাদুকরেরা
নিমেষে বানিয়ে দেয় বাগানের ফুল
ঠিক নির্ভুল,
এভাবে মেয়েরা সব একে একে ফুল হয়ে যায়।

নতুন বাগানে এসে নিজেকে না ভালবেসে
ফুলের দলেরা শেষে কথা বলে হেসে হেসে।
পদ্ম, গোলাপ, জুঁই, চম্পা, চামেলি,
ওলো টগর, শেফালী-
পোড়ারমুখিরা তোরা ফুল হয়ে রয়ে গেলি হায়।

জানি সে কোথায়, এই শহরের কোনও বাগানে সে হয়ে আছে ফুল
প্রতি সন্ধ্যায় পাপড়ি মেলে দিয়ে সে আবার ভোরে ঝরা বকুল।

বিনীতা কেমন আছ? (গান)

গান- বিনীতা কেমন আছ?
কথা ও সুর- মহীনের ঘোড়াগুলি
(কথা- রঞ্জন ঘোষাল, সুর-বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায় ও প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়)

রেকর্ড 

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৬
অ্যালবাম- ঝরা সময়ের গান
শিল্পী- নীল মুখোপাধ্যায়


কথা

কালকে রাত্রি পোহালে
দইয়ের ফোঁটা কপালে
ফাউন্টেন পেন সামলে রাখি
মরি অ্যাডমিট কার্ড হারালে

বিনীতা, কেমন আছো? বিপদ আমার
পরশু বি এ পার্ট টু, কি জানি কী লিখব খাতায়।

শ্রোতাদের মুখোমুখি
কেঁপে উঠি অজানা ভয়ে
মাথাগুলো সারিসারি
যেন সর্ষের ফুল শ'য়ে শ'য়ে

বিন্তু কেমন আছো? বিপদ আমার
পরশু বি এ পার্ট টু, কি জানি কী লিখব খাতায়।

টুকরো কথা

১৯৭৭ সালে যোগেশ মাইম অ্যাকাডেমিতে মহীনের কনসার্টের আগে ছোট ভাই বিশ্বনাথ ওরফে বিশুর কাছ থেকে গাওয়ার জন্য নতুন গান চান গৌতম। এদিকে সে সময়েই বিশ্বনাথের পরীক্ষা চলছে। উপায়ন্তর না দেখে তিনি শরণাপন্ন হন রঞ্জন ঘোষালের। রঞ্জনের লিখে দেওয়া কথা এক রাতের মধ্যে সুরে বেঁধে তৈরি হয় 'বিনীতা'। যা পরের দিন হারমোনিকা সহযোগে পারফর্ম ও করেন বিশ্বনাথ।

গাইব শুধু গান (গান)

গান- গাইব শুধু গান
কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়

রেকর্ড 

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৬
অ্যালবাম- ঝরা সময়ের গান
শিল্পী- সুব্রত ঘোষ, বনি, ঋতুপর্ণা দাস, চন্দ্রিমা মিত্র


কথা
চাই না যা পাই চাই না, যা চাই পাই না
ভুল করেও তা চাই না
ভাঁড় ভেঙে রস খাই না
কেন মিছে মরো, ভাবা ছেড়ে দাও?

আরাম যখন হারাম তখন সয় না
মনে দখিন হাওয়া বয় না
দিব্যি আছো মজা লুটে নাও।

আমরা গাইবো শুধু গান
আমরা চাই না ভুয়ো মান
হতে চাই না শিরোনাম
আমরা গাইবো শুধু গান
থাকো ইচ্ছে হলে কিম্বা কেটে যাও।


অফিসে-বাজারে, পথে-ঘাটে যত সব চামচা
লেখে রোজ নামচা
আর চান্স পেলে দেয় খামচা
কেন মিছে মরো, ভাবা ছেড়ে দাও?

চুলোয় যাক সব ভদ্দরলোকের কৃষ্টি
আসুক তেড়ে বৃষ্টি
ফষ্টিনষ্টি ভাসিয়ে রসাতলে দাও।

আমরা গাইবো শুধু গান
আমরা চাই না ভুয়ো মান
হতে চাই না শিরোনাম
আমরা গাইবো শুধু গান
থাকো ইচ্ছে হলে কিম্বা কেটে যাও।

সংবিগ্ন পাখিকূল (গান)

গান- সংবিগ্ন পাখিকূল
কথা- রঞ্জন ঘোষাল
সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়


রেকর্ড 

প্রথম প্রকাশ- ১৯৭৭ [১]
অ্যালবাম- সংবিগ্ন পাখিকূল ও কলকাতা বিষয়ক
শিল্পী-  মহীনের ঘোড়াগুলি (তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, হারমনি- তাপস দাস, গিটার- গৌতম ও প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়)

দ্বিতীয় প্রকাশ- ১৯৯৬ [২]
অ্যালবাম- ঝরা সময়ের গান
শিল্পী- বনি


কথা

রানওয়ে জুড়ে পড়ে আছে শুধু কেউ নেই শূন্যতা
আকাশে তখন থমকিয়ে আছে মেঘ
বেদনাবিধুর রাডারের অলসতা-
কিঞ্চিৎ সুখী পাখীদের সংবেগ।

এমন বিশাল বন্দরে বহুকাল
থামেনি আকাশবিহারী বিমান যান
এখানে ওখানে আগাছার জঞ্জাল
শূন্য ডাঙায় বায়ু বীতগতিবেগ।

এমন ছবিতে কিশোরী মানায় ভালো
ফ্রকে মুখগুঁজে কাঁদে চুল এলোমেলো...

চারণ দেখেছে এই ছবিখানি তাই
হৃদয়ে জমেছে শূন্যতা উড়ু মেঘ
চারণ ভোলেনা এই ছবিখানি তাই
বড় মায়া লাগে বড় তার উদ্বেগ।

আকাশে তখন ঝড় এসে যাবে বলে
থমকিয়ে আছে মেঘ...

যাস কোথা তুই (গান)

শিরোনাম- যাস কোথা তুই
কথা ও সুর- অরুণেন্দু দাস

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৬ [১]
অ্যালবাম- ঝরা সময়ের গান
শিল্পী- ঋতুপর্ণা দাস, চন্দ্রিমা মিত্র

[১] এই কভারে গানটি "কীসের এত তাড়া" নামে সঙ্কলিত হয়।

দ্বিতীয় প্রকাশ- ২০০৪ [২]
অ্যালবাম- অরুণদার গান
শিল্পী- অরুণেন্দু দাস


কথা

যাস কোথা তুই, কীসের এত তাড়া?
কেন নিস না কানে বলছি একটু দাঁড়া...
ওরে হেঁই!

যাস কোথা তুই...

চৈত্রবেলার কৃষ্ণচূড়া ফুল
ফাগুন খেলায় মেতেছে আকুল,
মাতাল কোকিল বসন্ত কুহুতানে
পাগল হাওয়ায় কোন সে দোলা আনে
প্রাণে কি তোর পাস না কিছুর সাড়া?
কেন নিস না কানে বলছি একটু দাঁড়া... ওরে হেঁই!

যাস কোথা তুই...

কোমল হাতের কাঁকন রিনিঝিন
সুরের আবেশ জাগায় সে রঙিন,
দুটি চোখের মদির ছোঁয়া তার
বাকি কিছুই রাখল না চাওয়ার
সময় এমন কেমনে যায় ছাড়া?
কেন নিস না কানে বলছি একটু দাঁড়া... ওরে হেঁই!

যাস কোথা তুই.. 

[১৯৭৫]

টুকরো কথা
১৯৯৬ ও ২০০৪ ভার্সানের কথায় সামান্য পার্থক্য রয়েছে। কী কী, তা নীচে দেখানো হল:

১৯৯৬ [১]
২০০৪ [২]
"ফাগুন খেলায় মেতেছে আকুল""আগুন খেলায় মেতেছে আকুল"
"সুরের আবেশ জাগায় সে রঙিন""সুখের আবেশ জাগায় সে রঙিন"

কে কে যাবি রে (গান)

গান- কে কে যাবি রে
কথা- অরুণেন্দু দাস
সুর- একটি নাইজিরিয়ান লোকসুর অনুসারে

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৬
অ্যালবাম- ঝরা সময়ের গান
শিল্পী- সুব্রত ঘোষ, বনি, ঋতুপর্ণা দাস, চন্দ্রিমা মিত্র

কথা

পেরিয়ে মাঠের সীমানা ওই মেলা বসেছে,
চরকি ঘোরে, পাঁপড় ভাজায়
মাতালিয়া ঢোলকে মনকে মাতায়।
তোরা কে কে যাবি রে,
কে কে যাবি রে,
কে কে যাবি রে তোরা আয়।

পয়সা যদি নেই পকেটে ভাবনা কী আছে?
কিনতে মানা, চড়তে মানায়
ভিড়ে মেশা আনন্দের কি আসে যায়?
তোরা কে কে যাবি রে,
কে কে যাবি রে,
কে কে যাবি রে তোরা আয়।

একরঙা এই জীবন ছেড়ে একটু পালানোর
তার বেশি হায়, কেই বা কী চায়
বেচা-কেনার হিসেবে খুশির খেলায়।
মোরা সবাই যাব রে,
সবাই যাব রে,
সবাই যাব যেরে মেলায়।

তোরা কে কে যাবি রে,
কে কে যাবি রে,
কে কে যাবি রে তোরা আয়।

মোরা সবাই যাব রে,
সবাই যাব রে,
সবাই যাব যেরে মেলায়।

[শিবপুর, ১৯৬০]

সারা রাত (গান)

গান- সারা রাত
কথা ও সুর- অরুণেন্দু দাস

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৬
অ্যালবাম- ঝরা সময়ের গান
শিল্পী- সুব্রত ঘোষ, বনি, নীল মুখোপাধ্যায়


কথা

সারা রাত আমি হই শুধু আমার
নির্ঘুম নির্জনতায় বাড়ে আঁধার।

কাটে না, কাটে না, যে সময়
অস্থির ভাবনারা ঘিরে রয়
অনুভব শুধু এক ব্যথাভার
নির্ঘুম, নির্জনতায় বাড়ে আঁধার।

সারা রাত আমি হই শুধু আমার,
নির্ঘুম, নির্জনতায় বাড়ে আঁধার।

পারে না, পারে না, কেন মন
বেছে নিতে সুখের স্বপন
আসে না, সে তো আর যে আসার
নির্ঘুম, নির্জনতায় বাড়ে আঁধার।

জানি না, জানি না, কেন হায়
কেড়ে নিতে যা কিছু মন চায়,
কিছু দিতে কি নেই ভালোবাসার?
নির্ঘুম, নির্জনতায় বাড়ে আঁধার।

সারা রাত আমি হই শুধু আমার,
নির্ঘুম, নির্জনতায় বাড়ে আঁধার।

[লন্ডন, ১৯৭০]

ঝরা সময়ের গান (অ্যালবাম)

ঝরা সময়ের গান 
 ("মহীনের ঘোড়াগুলি সম্পাদিত")

শিল্পী- বিভিন্ন
প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৬
ফরম্যাট- ক্যাসেট 
ট্র্যাক সংখ্যা-
দৈর্ঘ- ৪০ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড
লেবেল- আশা অডিও

অ্যালবাম কভার


ফ্রন্ট কভার


ইনলে কার্ড


ট্র্যাক লিস্ট
(সুব্রত ঘোষ, বনি । কথা ও সুর- জয়জিৎ লাহিড়ি, সুব্রত ঘোষ)
(বনি। কথা- তাপস দাস, সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়)
০৩. গান-মালা
(ক) কীসের এত তাড়া
(ঋতুপর্ণা দাস, চন্দ্রিমা মিত্র। কথা ও সুর- অরুণেন্দু দাস)
(খ) গাইব শুধু গান
(সুব্রত ঘোষ, বনি, ঋতুপর্ণা দাস, চন্দ্রিমা মিত্র । কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়)
(গ) কে কে যাবি রে
(সুব্রত ঘোষ, বনি, ঋতুপর্ণা দাস, চন্দ্রিমা মিত্র । কথা ও সুর- অরুণেন্দু দাস)
(ঘ) বিনীতা কেমন আছ?
(নীল মুখোপাধ্যায় । কথা ও সুর- মহীনের ঘোড়াগুলি)
(সুব্রত ঘোষ, বনি, নীল মুখোপাধ্যায় । কথা ও সুর- অরুণেন্দু দাস)
(ঋতুপর্ণা দাস, চন্দ্রিমা মিত্র । কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়)
০৬. ময়মনসিংহ গীতিকা
(অনুপ বিশ্বাস, বাদল সরকার । কথা- প্রচলিত, সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়) 
(সুব্রত ঘোষ । কথা ও সুর- জয়জিৎ লাহিড়ি, সুব্রত ঘোষ)
(গৌতম চট্টোপাধ্যায় । কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়)

ক্রেডিট

সুর বিন্যাস- নীল মুখোপাধ্যায়

নীল- কন্ঠ, গিটার, কিবোর্ড, ব্যাঞ্জো, ব্লুজ হার্প
সুব্রত- কন্ঠ, গিটার
বনি- কন্ঠ, থুমবা, গুইরো, শেকার, কুইকা, বারিম্বা
ডোয়াইট- বেস গিটার
ঋতুপর্ণা, চন্দ্রিমা, অনুপ, বাদল- কন্ঠ

শব্দযন্ত্রী- দেবজিৎ বিশ্বাস
সমন্বয়ে- জয়জিৎ ঘোষ ও মহীনের ঘোড়াগুলি
রেকর্ডিং স্টুডিও- প্রেস্তো
প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণ- হিরণ মিত্র


বুকলেট



সম্পূর্ণ বুকলেটটি ডাউনলোড করুন এখানে:

ফাইল সাইজ: ৫.২৫ এম বি