১৯৭৭ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
১৯৭৭ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সংবিগ্ন পাখিকূল (গান)

গান- সংবিগ্ন পাখিকূল
কথা- রঞ্জন ঘোষাল
সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়


রেকর্ড 

প্রথম প্রকাশ- ১৯৭৭ [১]
অ্যালবাম- সংবিগ্ন পাখিকূল ও কলকাতা বিষয়ক
শিল্পী-  মহীনের ঘোড়াগুলি (তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, হারমনি- তাপস দাস, গিটার- গৌতম ও প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়)

দ্বিতীয় প্রকাশ- ১৯৯৬ [২]
অ্যালবাম- ঝরা সময়ের গান
শিল্পী- বনি


কথা

রানওয়ে জুড়ে পড়ে আছে শুধু কেউ নেই শূন্যতা
আকাশে তখন থমকিয়ে আছে মেঘ
বেদনাবিধুর রাডারের অলসতা-
কিঞ্চিৎ সুখী পাখীদের সংবেগ।

এমন বিশাল বন্দরে বহুকাল
থামেনি আকাশবিহারী বিমান যান
এখানে ওখানে আগাছার জঞ্জাল
শূন্য ডাঙায় বায়ু বীতগতিবেগ।

এমন ছবিতে কিশোরী মানায় ভালো
ফ্রকে মুখগুঁজে কাঁদে চুল এলোমেলো...

চারণ দেখেছে এই ছবিখানি তাই
হৃদয়ে জমেছে শূন্যতা উড়ু মেঘ
চারণ ভোলেনা এই ছবিখানি তাই
বড় মায়া লাগে বড় তার উদ্বেগ।

আকাশে তখন ঝড় এসে যাবে বলে
থমকিয়ে আছে মেঘ...

হায় ভালোবাসি (গান)

গান- হায় ভালোবাসি
কথা- রঞ্জন ঘোষাল, তাপস দাস ও তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুর- তাপস দাস ও তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়


রেকর্ড 

প্রথম প্রকাশ- ১৯৭৭ [১]
অ্যালবাম- সংবিগ্ন পাখিকূল ও কলকাতা বিষয়ক
শিল্পী-  মহীনের ঘোড়াগুলি (তাপস দাস ও তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, কোরাস- গৌতম চট্টোপাধ্যায়, প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায় ও রঞ্জন ঘোষাল)

দ্বিতীয় প্রকাশ- ১৯৯৭ [২]
অ্যালবাম- মায়া
শিল্পী- রাজা বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌতম চট্টোপাধ্যায়, বনি ও ঋতুপর্ণা দাস
এাই কভারে গানটি "হায় ভালবাসি" নামে সঙ্কলিত হয়।

কথা

ভালোবাসি জ্যোৎস্নায় কাশবনে ছুটতে
ছায়া ঘেরা মেঠোপথে ভালোবাসি হাঁটতে
দূর পাহাড়ের গায়ে গোধূলীর আলো মেখে
কাছে ডাকে ধান খেত সবুজ দিগন্তে

তবুও কিছুই যেন ভালো যে লাগেনা কেন?
উদাসী পথের মাঝে মন পড়ে থাকে যেন,
কোথায় রয়েছে ভাবি লুকিয়ে বিষাদ তবুও...

ভালো লাগে ডিঙি নৌকায় চড়ে ভাসতে
প্রজাপতি, বুনোহাঁস ভালো লাগে দেখতে
জানলার কোণে বসে উদাসী বিকেল দেখে
ভালোবাসি একমনে কবিতা পড়তে

তবুও কিছুই যেন ভালো যে লাগেনা কেন?
উদাসী পথের মাঝে মন পড়ে থাকে যেন,
কোথায় রয়েছে ভাবি লুকিয়ে বিষাদ তবুও...

যখন দেখি ওরা কাজ করে গ্রামে বন্দরে,
শুধুই ফসল ফলায়, ঘাম ঝরায় মাঠে প্রান্তরে,
তখন ভালো লাগে না, লাগে না, কোনও কিছু 

সেদিন কাছে এসো, ভালোবাসি একসাথে সব কিছু। [১]


ভালোবাসি পিকাসো-বুনুয়েল-দান্তে
বিটল্‌স্‌-ডিলান আর বেথোফেন শুনতে
রবিশঙ্কর আর আলি আকবর শুনে
ভালো লাগে ভোরে কুয়াশায় ঘরে ফিরতে

তবুও কিছুই যেন ভালো যে লাগেনা কেন?
উদাসী পথের মাঝে মন পড়ে থাকে যেন,
কোথায় রয়েছে ভাবি লুকিয়ে বিষাদ তবুও...

যখন দেখি ওরা কাজ করে গ্রামে বন্দরে,
শুধুই ফসল ফলায়, ঘাম ঝরায় মাঠে প্রান্তরে,
তখন ভালো লাগে না, লাগে না, কোনও কিছু 

সেদিন কাছে এসো, ভালোবাসি একসাথে সব কিছু।


*

মায়া অ্যালবামের কভার ভার্সানে "যখন দেখি ওরা..." ভার্সটাকেই গাওয়া হয়েছে এভাবে:

যখন দেখি ওরা কাজ করে গ্রামে বন্দরে,
শুধুই ফসল ফলায়, ঘাম ঝরায় মাঠে প্রান্তরে,
তখন ভালো লাগে না, লাগে না, কোনও কিছুই

সুদিন কাছে এসো, ভালোবাসি একসাথে সব কিছুই। [২]


মেরুন সন্ধ্যালোক (গান)

গান- মেরুন সন্ধ্যালোক
কথা- গৌতম চট্টোপাধ্যায় ও রঞ্জন ঘোষাল
সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়


রেকর্ড 

প্রথম প্রকাশ- ১৯৭৭
অ্যালবাম- সংবিগ্ন পাখিকূল ও কলকাতা বিষয়ক
শিল্পী-  মহীনের ঘোড়াগুলি (গৌতম চট্টোপাধ্যায়, সহ শিল্পী- তাপস দাস, তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ও রঞ্জন ঘোষাল, লিড গিটার- গৌতম চট্টোপাধ্যায়)

কথা

দিন চলে যায় সন্ধ্যা বেলায়
বসে একা উদাস হাওয়ায়,
যতো ভাবি সুর বন পথ দূর
সুবাসী বায়ে, মহুয়া-মুকুল।

বেঁকে গেছে পথ গভীর বনে
মাতাল করে বিহন জনে,
ভেসে আসে গান সাঁঝুলি আলোয়
মহুয়া-মেদুর, শিমুলিয়া সুর।


ভেসে আসে কলকাতা (গান)

গান- ভেসে আসে কলকাতা
কথা- রঞ্জন ঘোষাল ও তাপস দাস
সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায় ও তাপস দাস


রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৭৭
অ্যালবাম- সংবিগ্ন পাখিকূল ও কলকাতা বিষয়ক
শিল্পী-  মহীনের ঘোড়াগুলি (তাপস দাস ও তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, লিড গিটার- গৌতম চট্টোপাধ্যায়)

কথা

ভেসে আসে কলকাতা কুয়াশা-তুলিতে আঁকা
শহরতলির ভোর মনে পড়ে
কাঠচাঁপা আর কৃষ্ণ-চূড়ার শৈশব শুধু খেলা করে
স্মৃতির ভেতর ট্রামের ধ্বনি বিবাগী সুর গড়ে
এই প্রবাসে ক্যালেন্ডারের পাতাই শুধু ঝরে
কলকাতা - ও - কলকাতা।

গুলতি ছোঁড়া ঘুড়ি ওড়ার
অগস্ট দুপুর কে দেবে ফিরে
পরবাসের হৃদয় জুড়ে এই অভিমান শুধু ভ'রে
স্টিমার ঘাটের ভোঁ কেন আজ আবার উদাস করে
ভেসে আসে কলকাতা শুধু কুয়াশার ভোরে
কলকাতা - ও - কলকাতা।

সংবিগ্ন পাখিকূল ও কলকাতা বিষয়ক (অ্যালবাম)

সংবিগ্ন পাখিকূল ও কলকাতা বিষয়ক

শিল্পী- মহীনের ঘোড়াগুলি
প্রথম প্রকাশ- ১৯৭৭
ফরম্যাট- এক্সটেনডেড প্লে ৪৫ আর. পি. এম. রেকর্ড
ট্র্যাক সংখ্যা-
দৈর্ঘ- ১২ মিনিট ১১ সেকেন্ড
লেবেল- গাথানি রেকর্ডস

অ্যালবাম কভার

ফ্রন্ট কভার

ব্যাক কভার

উৎসর্গ

"প্রয়াত ধূর্জটি চট্টোপাধ্যায় কে
যে আমাদের গান শুনতে চেয়েছিলো।"

ট্র্যাক লিস্ট

০১. ভেসে আসে কলকাতা
(তাপস দাস, তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায় | কথা- রঞ্জন ঘোষাল ও তাপস দাস, সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায় ও তাপস দাস)
০২. মেরুন সন্ধ্যালোক
(গৌতম চট্টোপাধ্যায় | কথা- রঞ্জন ঘোষাল, গৌতম চট্টোপাধ্যায়, সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়)
০৩. সংবিগ্ন পাখিকূল
(তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, তাপস দাস | কথা- রঞ্জন ঘোষাল, সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়)
০৪. হায় ভালোবাসি
(তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, তাপস দাস | কথা- রঞ্জন ঘোষাল, তাপস দাস ও তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়,
সুর- তাপস দাস ও তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়)

ক্রেডিট

অজ্ঞাত

মহীনের ঘোড়াগুলি
গৌতম চট্টোপাধ্যায় (মাণিক)- কন্ঠ, কথা, লিড গিটার, স্যাক্সোফোন
প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় (বুলা)- কন্ঠ, বেস গিটার
তাপস দাস (বাপি)- কন্ঠ, কথা, গিটার
রঞ্জন ঘোষাল- কথা, মিডিয়া সম্পর্ক
আব্রাহাম মজুমদার- পিয়ানো, ভায়োলিন, ভায়োলা
বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায় (বিশু)- ড্রামস, বেস ভায়োলিন, গিটার
রাজা বন্দ্যোপাধ্যায়- গিটার (১৯৭৮-৮১)
তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায় (ভানু)- কন্ঠ, গিটার (১৯৭৫-৭৮)


বুকলেট





যা লেখা রয়েছে, এবং মহীনের ঘোড়াগুলি যাকে পরে ম্যানিফেস্টো বলবে:

"'মহীনের ঘোড়াগুলি ঘাস খায় কার্তিকের জ্যোৎস্নার প্রান্তরে'
গান গায়। ডানা নেই তবু তার উড্ডীন ডানার শব্দে
প্রছন্ন ভোর হয় গগনচারী পাখিদের আর বহতা নদীর,
যেখানে নিকটস্থ গার্হস্থ্য সুখ অসুখ আর মানুষের
জ্যোৎস্নাহীন প্রাণপাত দিনযাত্রা।
একদিন মানুষের ঘরবাড়ি ছিল যেই সবুজ চরভূমিতে,
বারবার ভেসেভুসে গেছে ভীমবানে, অনন্ত জলক্লিন্ন
সেই অজনবিজন চরে মহীনের ঘোড়াগুলি নিষ্পন্দ দাঁড়িয়ে
রয়েছে, ওই দেখুন, চোখে জল, কে তুলনা?
মহীনের ঘোড়াগুলি হ্রেষা তোলে, সে কি গান? তার
ওই স্পন্দমান ছুটে চলা, কুয়াশান্বিত জ্যোৎস্নায় তার
বিলীয়মান দোলাচল, খুরশব্দহীন;
কেননা উল্লেখ্য, মহীনের ঘোড়াগুলির খুরে কোনো
নাল নেই।
নিঃস্বপ্ন বেদনার কাছে বলুন আর কে পারে 'হে
প্রিয় অসুখ' বলে নিকটস্থ হতে?
আর, মহীনের ঘোড়াগুলি মাঝে মাঝে হাই তোলে,
হাঁটুমুড়ে ঘুমোয় ও বটে। অনাদরে পাশে পরে থাকে
গীটার, বাঁশি, ভায়োলিন, চিড়েগুড়। সেইসব ঘুমের মধ্যে
স্বপ্ন, স্বপ্নের ভেতরে ঘুম, আর তার মধ্যে থেকে
স্পন্দিত হতে থাকে সিমফনিক ইমোশনস, যাকে বলি
সংবেগ; সংবিগ্ন পাখিকুল উড়ে যায়। উড়ে যায় কিন্তু
কোথাও যায় না। নীচে ঘুমন্ত পৃথিবী নক্‌শী
শতরঞ্জের ছকের মতো পড়ে আছে; নয়ানজুলিতে
শাদাশাদা ভয়ঙ্কর হাড়গোড়,
বাতাসে ষড়যন্ত্রময় শ্বাসশব্দ আর ক্ষুধার্ত মানুষের
শ্বাপদপ্রতিম চোখ, চোখগুলি, ঘুমহীন, যৌথভাবে
জেগে আছে।
(আহা, পদ্ম ফুটে ভরে আছে জলা)
তবু, যাঁরা বলেন, মহীনের ঘোড়াগুলি, তোমাদের
সামুদ্রিক জলকেলি আর কদ্দিন? যন্ত্রনাময় পৃথিবীর
সমস্যাসঙ্কুলতা থেকে নিরাপদ দূরত্বে আর কতদিন
তোমাদের বসবাস?
তাঁদের বলি - অ্যাট্টকুনি ডাঁড়ান স্যার, এই এলুম বলে। "


সম্পূর্ণ বুকলেটটি ডাউনলোড করুন এখানে:

ফাইল সাইজ: ১. ১২ এম বি