আবার বছর কুড়ি পরে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আবার বছর কুড়ি পরে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

পৃথিবীটা নাকি ছোট হতে হতে (গান)

গান- পৃথিবীটা নাকি ছোট হতে হতে
কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়, পল্লব রায়

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৫
অ্যালবাম- আবার বছর কুড়ি পরে
শিল্পী- ক্রস উইন্ডস

কথা

পৃথিবীটা নাকি ছোট হতে হতে
স্যাটেলাইট আর কেব্‌লের হাতে
ড্রয়িংরুমে রাখা বোকা বাক্সতে বন্দী
আ হা হা হা আ হা

ঘরে বসে সারা দুনিয়ার সাথে
যোগাযোগ আজ হাতের মুঠোতে
ঘুচে গেছে দেশ কাল সীমানার গণ্ডি
আ হা হা হা আ হা

ভেবে দেখেছো কি,
তারারাও যত আলোকবর্ষ দূরে
তারও দূরে
তুমি আর আমি যাই ক্রমে সরে সরে।


সারি সারি মুখ আসে আর যায়
নেশাতুর চোখ টিভি পর্দায়
পোকামাকড়ের আগুনের সাথে সন্ধি
আ হা হা হা আ হা

পাশাপাশি বসে একসাথে দেখা
একসাথে নয় আসলেতে একা
তোমার আমার ফারাকের নয়া ফন্দি
আ হা হা হা আ হা

ভেবে দেখেছ কি...

স্বপ্ন বেচার চোরা কারবার
জায়গা তো নেই তোমার আমার
চোখ ধাঁধানোর এই খেলা শুধু ভঙ্গি
আ হা হা হা আ হা

তার চেয়ে এসো খোলা জানালায়
পথ ভুল করে কোনও রাস্তায়
হয়ত পেলেও পেতে পারি আরো সঙ্গী
আ হা হা হা আ হা

ভেবে দেখেছ কি...

টুকরো কথা

[১] অরুণেন্দু দাস এই গান প্রথম শোনার বর্ণনা করেছেন এভাবে: "তখন ইয়াং জেনারেশন কিছু কিচু শুনেছে গৌতমের গান। সেদিনই গৌতম বলল 'একটা নতুন গান শোনাচ্ছি। গিটারটা তো বাজানো হয় না আর, তবুও চেষ্টা করছি।' গানটা আমায় নাড়িয়ে দিল। আরেকবার যখন শুনতে চাইলাম, ও বলল 'তাহলে তোমরাও আমার সঙ্গে যোগ দাও।' মিঞ্জিরি (ঋতুপর্ণা দাস) আর পরমা (বন্দ্যোপাধ্যায়) কে দিয়ে 'আহা'টা করিয়ে ও গানটা দ্বিতীয়বার শোনাল।"

[২] এ কথা এখন সবাই জানে, তাও ফর দা রেকর্ড, হিন্দি ছবি Gangster এর " ভিগি ভিগি" গানটা এই গানের সুরেই তৈরি করেছেন প্রীতম। জেমসের গাওয়া এই গানের জনপ্রিয়তা গৌতম চট্টো তথা মহীনের ঘোড়াগুলিকেই জাতীয় স্তরে প্রতিষ্ঠা করেছে আরও একবার।

আকাশে ছড়ানো মেঘের কাছাকাছি (গান)

গান- আকাশে ছড়ানো মেঘের কাছাকাছি
কথা ও সুর- দিব্য মুখোপাধ্যায়

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৫
অ্যালবাম- আবার বছর কুড়ি পরে
শিল্পী- দিব্য মুখোপাধ্যায়


কথা

আকাশে ছড়ানো মেঘের কাছাকাছি
দেখা যায় তোমাদের বাড়ি,
তার নীল দেয়াল যেন স্বপ্ন বেলোয়ারি
তার কাঁচ দেয়াল যেন স্বপ্ন বেলোয়ারি।

আকাশে ছড়ানো মেঘের কাছাকাছি
দেখা যায় তোমাদের বাড়ি...

চিলেকোঠায় বসা বাদামি বেড়াল
বোনে শূণ্যে মায়াজাল
ছাইরঙা পেঁচা সেই চোখ টিপে বসে আছে
কত না বছরকাল।
কালো দরজা খুলে বাইরে তুমি এলে
বাগানের গাছে হাসি ছড়াবে বুনো ফুলে
সেই বাড়ির নেই ঠিকানা
শুধু অজানা লাল সুরকির পথ
শূণ্যে দেয় পাড়ি।

বাঁকানো সিঁড়ির পথে সেখানে নেমে আসে
চাঁদের আলো,
কাউকে চেনো না তুমি তোমাকে চেনে না কেউ
সেই তো ভালো।
সেথা একলা তুমি গান গেয়ে ঘুরে ফিরে
তোমার এলোচুল ঐ বাতাসে শুধু ওড়ে
সেই বাড়ির নেই ঠিকানা
শুধু অজানা লাল সুরকির পথ
শূণ্যে দেয় পাড়ি।

আকাশে ছড়ানো মেঘের কাছাকাছি
দেখা যায় তোমাদের বাড়ি...

টুকরো কথা

"মনের ডাক্তার, মানে সাইকিয়াট্রিস্ট। বহুদিন আগে লিখেছিল এই গান...তখনকার মত গলাটা এখনও একটু পাগলাটে...স্বর এবং সুর দুয়েতেই। যখন গায় "চিলেকোঠায় বসা বাদামী বেড়াল..." স্পষ্ট দেখা যায় সেই বাদামী বেড়ালটাকে। কাছেই একটা পাগল গান গাইছে।" আবার বছর কুড়ি পরে অ্যালবামে দিব্যগোপাল মুখোপাধ্যায় সম্পর্কে এমনটাই লিখেছিলেন গৌতম। এই গান সম্পর্কে গড়ের মাঠের জয়জিৎ লাহিড়ী একবার লিখেছিলেন, "আন্তর্জাতিক মানের জাদু বাস্তবতার স্বাদু আঘ্রাণ"।

আমি ডান দিকে রইনা (গান)

গান- আমি ডান দিকে রইনা
কথা ও সুর- সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায়


রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৫
অ্যালবাম- আবার বছর কুড়ি পরে
শিল্পী- সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায়


কথা

আমি ডান দিকে রইনা,
আমি বাম দিকে রইনা
আমি দুই দিকেতেই রই
পরাণ জলাঞ্জলি দিয়া রে।
না আমি বড় রাস্তায় দাঁড়ায়ে কবিতা করি, আঁকিবুঁকি করি...

আমি কেমনি মানুষ হই?
আমার মহান হবার সাধই জাগে মহান হতে পারিনে
আমি যে সাধ আহ্লাদ ছাড়িনে!
মহা চিন্তায় আছি বন্ধুরে, আমি চলে গেলে কী পড়ে রবে?
বন্ধুরে...


আমি আগার দিকে যাইনা,
আমি গোড়ার দিকে যাইনা
আমি দুই দিকেতেই রই
কিছু থুইয়া, কিছু খুইয়া রে
না আমি বড় রাস্তায় দাঁড়ায়ে কবিতা করি, আঁকিবুঁকি করি...

আমি কেমনে মানুষ হই?
আমার দীর্ঘশ্বাস বাতাসে মিশে
ছেড়ে যায় আমারে, না জানি কীসের অভিমানে!
মহা চিন্তায় আছি বন্ধুরে, আমি চলে গেলে কী পড়ে রবে?
বন্ধুরে...

আমি উপর দিকে যাইনা,
আমি নিচের যাইনা
আমি মাঝপথে ঘুরি
কিছু দিয়া কিছু নিয়া রে!
না আমি বড় রাস্তায় দাঁড়ায়ে কবিতা করি, আঁকিবুঁকি করি...

আমি ডান দিকে রইনা,
আমি বাম দিকে রইনা
আমি দুই দিকেতেই রই
পরাণ জলাঞ্জলি দিয়া রে।

টুকরো কথা

"খুবই ধীর স্থির যুবক, গাড়ির স্পেয়ার পার্টস-এর ব্যবসা করে। হাইট, ছ ফুটের এদিক ওদিক, চেহারায় সাহেবি কেতা, গলাটা কিন্তু মিঠে দেশোয়ালী। সবসময়েই যেন পাশে খঞ্জনি বাজে।" সুরজিৎ সম্পর্কে এরকমই বলেছিলেন গৌতম আবার বছর কুড়ি পরে ক্যাসেটের সাথে দেওয়া বুকলেটে। এই সুরজিৎ চট্টো-ই পরে সৌমিত্রর সাথে ভূমি-র প্রতিষ্ঠা করেন।

এলো কি এ অসময় (গান)

গান- এলো কি এ অসময়
কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৫
অ্যালবাম- আবার বছর কুড়ি পরে
শিল্পী- অন্তরা চৌধুরী

কথা

এলো কি এ অসময়
মনে শুধু জাগে ভয়
ফিরে আর পাবো কি কখনও
তুমি আছো তবু সংশয়
গেয়ে গান যাব যে তখনও
এলোমেলো হাওয়া কেন বয়,
আকাশে চাঁদ জেগে রয়
তবু বলো বলো বলো কেন এমনও হয়?
মনে শুধু জাগে ভয়।

এলো কি এ অসময়
মনে শুধু জাগে ভয়।

কথা যা সে আছে লুকানো
এ জীবন শুধু বিস্ময়
এভাবে নিজেকে ভোলানো
জানি ভালো থাকা এ তো নয়,
আকাশে চাঁদ জেগে রয়
তবু বলো বলো বলো কেন এমনও হয়?
মনে শুধু জাগে ভয়।

এলো কি এ অসময়
মনে শুধু জাগে ভয়।

কথা দিয়া বন্ধু (গান)

গান- কথা দিয়া বন্ধু
কথা ও সুর - গৌতম চট্টোপাধ্যায়


রেকর্ডিং


প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৫
অ্যালবাম- আবার বছর কুড়ি পরে
শিল্পী- অনুপ বিশ্বাস ও বাদল সরকার


কথা

কথা দিয়া বন্ধু ফিরা না আইলা
এ কেমন কথা, হায় কি দশা!

কানে বাজে তোমার কথা
বুকে বাজে তাই ব্যথা,
কানের কথা বুকের ব্যথা হইয়া
আমার প্রাণে জাগায় যে হতাশা।
হায়! হায়! সব হারাইয়া কান্দি তো
আশার ছলনায় ভুইল্যা গিয়া
আজি পথে বসিলাম গো-

কবে তুমি ফিরা আসিবা বন্ধু
রইলাম তার আশায়, হায় দুরাশা।

ভাইবা হইলাম আকুল
আর শুকায় যে মালার ফুল
সঙ্গে শুকাইলো মোর প্রাণটা আর মনটা
করি সব কাজে বিষম ভুল
হায়! হায়! সব হারাইয়া কান্দি তো
আশার ছলনায় ভুইল্যা গিয়া
আজি পথে বসিলাম গো-

কবে তুমি ফিরা আসিবা বন্ধু
রইলাম তার আশায়, হায় দুরাশা।


টুকরো কথা

নিছক প্রেমের গান নয় এ। এ গান হতাশার গান। গানের 'বন্ধু' হল বিপ্লব। মনে রাখতে হবে নকশালবাড়ি আন্দোলনের সময় গৌতম নিজে প্রায় দেড় বছর জেলে ছিলেন, তাঁর অতিবাম রাজনীতির কারণে। আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি নিয়ে জেলে থাকাকালীনই তাঁর মোহভঙ্গ ঘটে।

ধাঁধার থেকেও জটিল তুমি (গান)

গান- ধাঁধার থেকেও জটিল তুমি
কথা - জয়জিৎ লাহিড়ী
সুর- সুব্রত ঘোষ

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৫
অ্যালবাম- আবার বছর কুড়ি পরে
শিল্পী- গড়ের মাঠ

*গানটি "ধাঁধার থেকে জটিল তুমি" নামে সঙ্কলন করা হয়।



কথা

ধাঁধার থেকেও জটিল তুমি, ক্ষিদের থেকেও স্পষ্ট
কাজের মধ্যে অকাজ খালি, মনের মধ্যে কষ্ট
স্বপ্ন হয়েই যখন-তখন, আঁকড়ে আমায় ধরো
তাইতো বলি আমায় বরং, ঘেন্না করো, ঘেন্না করো।

গুণগাণের হাজার বুলি, শুধুই সময় নষ্ট
আঁকছ ছবি সমস্ত দিন, রঙ সবই অস্পষ্ট
সুখের থেকে হাজার গুণে, দুঃখ অনেক ভালো
তাইতো বলি আমায় বরং, ঘেন্না করো, ঘেন্না করো।

আজ চালাক আমি কাল বোকা
মহৎ প্রেমিক ন্যাকা ন্যাকা
আমার আসল চেহারা কি চিনতে তুমি পারো?
চিনতে যদি পেরেই থাকো, ঘেন্না করো ঘেন্না করো।

পড়াশোনায় জলাঞ্জলি (গান)

গান- পড়াশোনায় জলাঞ্জলি
কথা ও সুর- তাপস দাস ও গৌতম চট্টোপাধ্যায়

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৫
অ্যালবাম- আবার বছর কুড়ি পরে
শিল্পী- লক্ষীছাড়া

*গানটি ক্যাসেটে "পড়াশোনার জলাঞ্জলি" নামে সঙ্কলিত ছিল।


কথা

পড়াশোনায় জলাঞ্জলি ভেবে মূর্খ বলছ কি?
তোমরা বলছ আমাদের জীবনের চার আনাই ফাঁকি।

হে, ষোল আনা থেকে যদি চার আনা যায়
হিসেব দাঁড়ায় এসে বারো আনায়,
কিন্ত বারো আনাতে আমরা খুশি
আমাদের চাওয়ার চেয়ে অনেক বেশি।

মানিনা মানবোনা, করছো ছি ছি ছি
তোমরা বলছো অবাধ্য জীবনের আট আনাই ফাঁকি।

হে ষোল আনা থেকে যদি আট আনা যায়
হিসেব দাঁড়ায় এসে সেই আট আনায়,
কিন্ত আট আনাতে আমরা খুশি
আমাদের চাওয়ার চেয়ে অনেক বেশি।

আমাদের পরকাল ঝরঝরে ভেবে দুঃখ করছ কি?
তোমরা বলছ এলোমেলো জীবনের বারো আনাই ফাঁকি।

হে ষোল আনা থেকে যদি বারো আনা যায়
হিসেব দাঁড়ায় এসে মোটে চার আনায়,
কিন্ত চার আনাতে আমরা খুশি
আমাদের চাওয়ার চেয়ে অনেক বেশি !

ভালো, ভালোবাসা তোমরা জানো কি?
ভালোবাসতে না জানলে জীবনের ষোল আনাই ফাঁকি !

হে ষোল আনা থেকে যদি ষোল আনা যায়
হিসেবটা কষে দেখো দাড়াও কোথায় !
শুধু শূন্য, শূন্য, শূন্য রাশিরাশি !
তোমাদের কথা ভেবে আমরা হাসি...



টুকরো কথা

[১] গানটি আসলে গৌতম চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত একটি সিনেমার জন্য লেখা হয়, যা কোনওদিনও তৈরি হয় নি।

[২] এ গান সম্পর্কে ক্যাসেটের সাথে দেওয়া বুকলেটে বলা হয়েছে: " 'লক্ষীছাড়া' এই পাঁচজন- সাম্য গোস্বামী, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক আচার্য-চৌধুরী, অংশুমান সরকার আর গৌরব চট্টোপাধ্যায়- বয়স যাদের বারো থেকে সতেরোয়... ওরা নিশ্চিত জানে, কাক-বক পাখিকূল ফের উড়ে যাবে এই গানে।" পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় হলেন এখনকার অভিনেতা পরমব্রত আর গৌরব চট্টোপাধ্যায় ওরফে গাবু, বর্তমানে লক্ষীছাড়ার ড্রামার ও গৌতমের পুত্র।

গঙ্গা (গান)

গান- গঙ্গা
কথা- অরুণেন্দু দাস
সুর- পুসিক্যাটস এর "Mississippi" গানের ছায়ায়

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৫
অ্যালবাম- আবার বছর কুড়ি পরে
শিল্পী- ঋতুপর্ণা দাস, চন্দ্রিমা মিত্র, পরমা মুখোপাধ্যায়, প্রবীর দাস


কথা

ভেবেছিলাম এগিয়েছি যে অনেক
বয়ে বাসনা মোর একের পরে এক
মনে হঠাৎ যেন আজ হল খেয়াল
কেটেছে কাল,
ভেসে শুধুই আমার স্রোতের দোলায়।

ও গঙ্গা,
তুমি চলেছ ঢেউয়ে ঢেউয়ে কোথায়?
কখনও জোয়ারে আর কখনও ভাঁটায়
জানি রয়েছ দু তীরে বাঁধা হায়।


ভাবি এখন ছিল কোথায় যে যাওয়ার
মনে আশার তরী শুধুই কি বাওয়ার?
বুঝি নিশানা তার সুদূর দিগন্তেই,
আছে কি নেই
কোন সুখের হদিস কি জানি কোথায়।

ও গঙ্গা…

মোর গিটারে তাই সহজ হলো সুর
মনে চাইনা যেতে আর তো বহু দূর
আছি যেথায় বাঁধা সেথায় যেন দেশ,
জেনেছি বেশ
তাই ভালোবাসা আর কে বেশি পায়?

ও গঙ্গা…


[১৯৭৭]


টুকরো কথা 

(১) আবার বছর কুড়ি পরে  অ্যালবামের সাথে দেওয়া মিনিবইতে দীপঙ্কর চক্রবর্তী লেখেন "যেখানেই যান না কেন, এ গান সেখানেই সত্যি। সেইখানেও বয়ে চলে গঙ্গা, জোয়ারে-ভাঁটায়, বনমাঝে বা মনমাঝে। এই সত্যিকে তিনসত্যি করে তুলেছে এই কন্যারা। আর তাতে চতুর্থ মাত্রা দিয়েছেন প্রবীর দাশ, হারমোনিকার দোলায়, ঢেউয়ে ঢেউয়ে।"

(২) টোনি, বেটি ও মেরিয়ান: এই তিন বোনের ব্যান্ড পুসিক্যাটস ১৯৭৫ সালে রেকর্ড করে তাঁদের বিখ্যাত সিঙ্গল "Mississippi". বারবারা ফেয়ারচাইল্ড পরে কান্ট্রি স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে জনপ্রিয় এই গানের একটি কভার করেছিলেন '৭৯ এ। অরুণ দার গানে এই মিসিসিপি নদীই হয়েছে গঙ্গা।

আবার বছর কুড়ি পরে (অ্যালবাম)

  আবার বছর কুড়ি পরে
 ("মহীনের ঘোড়াগুলি সম্পাদিত বাংলা গান")

শিল্পী- বিভিন্ন
প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৫
ফরম্যাট- ক্যাসেট
ট্র্যাক সংখ্যা- ৮
দৈর্ঘ- ৪০ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড
লেবেল- এ. মুখার্জি অ্যান্ড কোম্পানি/ আশা অডিও

অ্যালবাম কভার

ফ্রন্ট কভার

ব্যাক কভার


ট্র্যাক লিস্ট
(লক্ষীছাড়া । কথা- তাপস দাস, সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়)
(গড়ের মাঠ । কথা ও সুর- জয়জিৎ লাহিড়ি, সুব্রত ঘোষ)
০৩. কথা দিয়া বন্ধু
(অনুপ বিশ্বাস, বাদল সরকার । কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়) 
(অন্তরা চৌধুরী । কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়)
  ০৫. গঙ্গা
(ঋতুপর্ণা দাস, চন্দ্রিমা মিত্র, পরমা মিত্র, প্রবীর দাস । কথা ও সুর- অরুণেন্দু দাস)
  ০৬. আমি ডান দিকে রই
(সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায় । কথা ও সুর- সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায়)
(দিব্য মুখোপাধ্যায় । কথা ও সুর- দিব্য মুখোপাধ্যায়)
০৮. পৃথিবীটা নাকি ছোট হতে হতে
(ক্রস উইন্ডস । কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়, পল্লব রায়)


ক্রেডিট

শব্দযন্ত্রী- দেবজিৎ বিশ্বাস
রেকর্ডিং স্টুডিও- প্রেস্তো
সমন্বয়ে- তুষার হালদার, তাপস দাস ও মহীনের ঘোড়াগুলি
মুখ্য সম্পাদক- গৌতম চট্টোপাধ্যায়
 প্রচ্ছদ- হিরণ মিত্র


                        
'মহীনের ঘোড়াগুলি সম্পাদিত গান' পর্বের শেষ অ্যালবাম ১৯৯৯ সালে ক্ষ্যাপার গান। সে বছরই আশা অডিও আবার বছর কুড়ি পরে- বেস্ট অফ মহীনের ঘোড়াগুলি নামে একটি এক্সটেন্ডেড প্লে সিডি প্রকাশ করেন। যাতে মূল আবার বছর কুড়ি পরে অ্যালবামের আটটি গান ছাড়াও ক্ষ্যাপার গান অ্যালবাম থেকে নিম্নলিখিত সাতটি গানও অন্তর্ভূক্ত হয়:

০৯. শোন সুধীজন
(ক্রস উইন্ডস । কথা ও সুর- মহীনের ঘোড়াগুলি)
১০. ঘরে ফেরার গান
(চন্দ্রানী বন্দ্যোপাধ্যায় । কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়, পল্লব রায়, সুদীপ চট্টোপাধ্যায়)
১১. ক্রিকেট
(অর্ণব চট্টোপাধ্যায় । কথা ও সুর- প্রিয় চট্টোপাধ্যায়, অর্ণব চট্টোপাধ্যায়)
১২. তাকে যত তাড়াই দূরে
(তাপস দাস । কথা ও সুর- তাপস দাস, দীপঙ্কর চক্রবর্তী)
১৩. সবাই তো ইনসান
(অনুপ বিশ্বাস, বাদল সরকার । কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়, তাপস দাস)
১৪. সাততলা বাড়ি
(প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় । কথা ও সুর- কমল চক্রবর্তী, প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়)
১৫. পাখিদের সুরে গান
(ক্রস উইন্ডস । কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়)


বুকলেট






সম্পূর্ণ বুকলেটটি ডাউনলোড করুন এখানে:

ফাইল সাইজ: ৬.৪৭ এম বি