১৯৭৮ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
১৯৭৮ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সুধীজন শোনো (গান)

গান- সুধীজন শোনো
কথা- রঞ্জন ঘোষাল
সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়


রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৭৮ [১]
অ্যালবাম- অজানা উড়ন্ত বস্তু বা অ-উ-ব
শিল্পী- মহীনের ঘোড়াগুলি (তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, তাপস দাস, রঞ্জন ঘোষাল)

দ্বিতীয় প্রকাশ- ১৯৯৯ [২]
অ্যালবাম- ক্ষ্যাপার গান
শিল্পী- ক্রস উইন্ডস

[২] এই কভারে গানটি 'শোন সুধীজন' নামে সঙ্কলিত হয়েছিল।

কথা


শুধু আজ নয় প্রতিদিন
সাত পাঁচ ভাবনা আর দুঃস্বপ্ন মেখে ঘুম ভাঙে আমার
তোমরা কেমন আছো?
তোমরা কি আমলকি গাছের ছায়ায় মোষের বিষন্ন ডাক শুনে
আনমনা হও আগেকার মতো?

শোনো সুধীজন, শোনো প্রিয়জন
শোনো সুধীজন, শোনো প্রিয়জন।

শুধু আজ নয় প্রতিরাত
তোমাদের পরকাল ভেবে, তোমাদের কথা ভেবে ঘুমহীন রাত জাগি।
নগরবাসীরা শোনো,
তোমাদের অন্যায়ে আমাদের অবহেলা মিশে কোন নরক মাতায়
তা জানো কি?

শোনো সুধীজন, শোনো প্রিয়জন
শোনো সুধীজন, শোনো প্রিয়জন।

শুধু শেষ নয় শুরুতেই
বড়শির আঁকশিতে বিঁধে, আকাশের দিকে পিঠ হাজার চড়ক ঘুরছে 

নীচে শত হাততালি মেরে
উল্লাসে ফেটে গেছ কতবার ঝুলন্ত মানুষের ব্যথাছবি রাঙা চোখে চেয়ে,
তা মানো কি?
[১]

শোনো সুধীজন, শোনো প্রিয়জন
শোনো সুধীজন, শোনো প্রিয়জন।

*

গানের দুটি কভারে কথার কিছু পার্থক্য আছে। ক্রস উইন্ডসের করা কভারে শেষ ভার্স নীচের মত গাওয়া হয়:

শুধু শেষ নয় শুরুতেই
বড়শির আঁকশিতে বিঁধে, আকাশের দিকে পিঠ হাজার চড়ক ঘুরছে 

নীচে শত হাততালি মেরে
উল্লাসে ফেটে গেছ কতবার, কখনও কি দেখেছ নিজেদের দিকে তাকিয়ে?
দেখেছ কি?
[২]

অজানা উড়ন্ত বস্তু বা অ-উ-ব (গান)

গান- অজানা উড়ন্ত বস্তু বা অ-উ-ব
কথা- রঞ্জন ঘোষাল
সুর- প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়


রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৭৮
অ্যালবাম- অজানা উড়ন্ত বস্তু বা অ-উ-ব
শিল্পী-  মহীনের ঘোড়াগুলি (প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জন ঘোষাল, তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়)

প্রথম প্রকাশ- ১৯৮৫
অ্যালবাম- আমরা গান গাই যে সুরে

শিল্পী- নগর ফিলোমেল (সৌগত বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রবুদ্ধ বন্দ্যোপাধ্যায়)


কথা

আধো-আলো-আঁধারের কোনও এক নগরের
মেস ঘরে থাকি চারজন
ট্রাম লরি টেম্পোরা শব্দের আলপনা
দিয়ে ঘিরে রাখে সারাখ'ন।


রাত কিবা কিবা দিন ঘেমো ঘরে আলোহীন
ভৌতিক কেরানিরা রই
আবছায়ে নড়িচড়ি থুতনিতে রুখু দাড়ি
এই কোলাহলে নিরজন।

অজানা ইথার শরীর শুধুই দেওয়াল জুড়ে
কাটে সারাদিন সময়ের কঠিন করাত
নিশাচর ইঁদুরেরা ছিঁড়ে চলে দিনভরা

রোদহীন ছায়ার বনাত।

তবু সব শনিবারে তারা সব আসে ফিরে
ছাতে উঠে যায় চারজন
টিভির অ্যান্টেনা যেন বা মাছের কাঁটা
বেড়ালের তরে আয়োজন।

শহর আলোয় উজল
ধোঁয়াশায় আকাশ পিছল
ছাদে এসে নামে ভিনগ্রহি ফ্লাইং সসার।

জেনো সব কেরানিরা
এইভাবে ঘোরে তারা
পড়ে থাকে যত অফিসার।

জেনো সব কেরানিরা
এইভাবে ঘোরে তারা
পড়ে থাকে যত...

টুকরো কথা

অঞ্জন দত্ত-র গান "হরিপদ"-র সাথে কিছু কি মিল পাচ্ছেন? ওখানে এবং এখানে, দুইজায়গাতেই মেসবাড়ি, কেরানিজীবন, টিভি অ্যান্টেনা, ছাদ আর ভিনগ্রহ থেকে আসা এলিয়েন। শুনলেই বোঝা যায়, শেষ সত্তরের মহীনের নব্বই সংস্করণ বানিয়েছেন অঞ্জন ওই গানে। অবশ্যি অঞ্জনের হরিপদ এলিয়েনদের সাথে ভিনগ্রহেই পাড়ি জমায়। সস্তা কেরানিযাপনকে, যাকে বলে দু লাথ মেরে।

অজানা উড়ন্ত বস্তু বা অ-উ-ব (অ্যালবাম)

অজানা উড়ন্ত বস্তু বা অ-উ-ব

শিল্পী- মহীনের ঘোড়াগুলি
প্রথম প্রকাশ- ২১ অগাস্ট, ১৯৭৮
ফরম্যাট- স্ট্যান্ডার্ড প্লে ৪৫ আর. পি. এম. রেকর্ড
ট্র্যাক সংখ্যা-
দৈর্ঘ- মিনিট ২৫ সেকেন্ড
লেবেল- হিন্দুস্তান রেকর্ডস

অ্যালবাম কভার


কভারে যা লেখা ছিল:

"সাংসারিক আলাপ, খাতির, আপনার ডাংগুলি লাঞ্ছিত ছেলেবেলা,
ড্রেনমগ্ন শব যার পিঠে সতেজ উদ্ভিদের মতো ফুটে রয়েছে অমোঘ
একটি ছুরি ও আকাশচারী কেরানীকুলের গানসহ আমরা আপনার
সাথে নিবিড় হবো ও অনন্ত একাকীত্ব থেকে আপনাকে উদ্ধার করে
আনবো । ফলত আমরা নিজেরা, বেয়াল্লিশ ফুট উঁচু ঝুলবারান্দা
থেকে নীচে কেৎরে পড়ে যাবো, চুরমার হয়ে যাবো এবং ঐ-ক্ষনাৎ
ভায়োলিন, বাঁশি, গীটার ও গুবগুবির ভাঙ্গা টুকরোগুলো কুড়িয়ে
নিতে নিতে আপনার হাত কেঁপে উঠবে, হাঁটু দুমড়ে যাবে"



ট্র্যাক লিস্ট
 
(প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জন ঘোষাল, তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা- রঞ্জন ঘোষাল, সুর- প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়)
(তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, তাপস দাস, রঞ্জন ঘোষাল। কথা- রঞ্জন ঘোষাল, সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়)

ক্রেডিট 

অজ্ঞাত

মহীনের ঘোড়াগুলি
গৌতম চট্টোপাধ্যায় (মাণিক)- কন্ঠ, কথা, লিড গিটার, স্যাক্সোফোন
প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় (বুলা)- কন্ঠ, বেস গিটার
তাপস দাস (বাপি)- কন্ঠ, কথা, গিটার
রঞ্জন ঘোষাল- কথা, মিডিয়া সম্পর্ক
আব্রাহাম মজুমদার- পিয়ানো, ভায়োলিন, ভায়োলা
বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায় (বিশু)- ড্রামস, বেস ভায়োলিন, গিটার
রাজা বন্দ্যোপাধ্যায়- গিটার (১৯৭৮-৮১)
তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায় (ভানু)- কন্ঠ, গিটার (১৯৭৫-৭৮)