ক্ষ্যাপার গান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ক্ষ্যাপার গান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে (গান)

গান- বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে
ভাব- প্রচলিত
কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়


রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৯
অ্যালবাম- ক্ষ্যাপার গান
শিল্পী- গৌতম চট্টোপাধ্যায়

কথা
ও মন রে, ও মন রে
ও মন, ও মন, ও মন রে...


বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে

আমি যদি জার্মান হতাম
বোতল বোতল বিয়ার খেতাম
আবার কনসার্টে পিয়ানো শুনতাম
দেখতিস আমার মান রে,
বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে।

আমি যদি ফ্রেঞ্চ হতাম
চিজ রুটি আর ওয়াইন খেতাম
গায়ে পারফিউম মেখে করতাম
সংস্কৃতির ভান রে,
বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে।

ও মন রে...

আমি যদি ইটালিয়ান হতাম
পিৎজা কাপুচিনো খেতাম
ভূমধ্য সাগরে আবার করতাম
আমি স্নান রে,
বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে।

আমি যদি ব্রিটিশ হতাম
কাউন্টি লিগে চিকেন খেতাম
আবার রানীর থেকে নাইটহুড পেতাম
করতাম হুইস্কি পান রে,
বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে।

ও মন রে...

আমি যদি স্প্যানিশ হতাম
ফ্ল্যামেঙ্কো গিটার বাজাইতাম
বুল ফাইটিং করতাম দেখতি
মাতাদরের জান রে,
বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে।

আমি যদি আমেরিকান হতাম
দাদাগিরি খুব ফলাতাম
আবার স্যাংশানের ভয় দেখিয়ে
মলে দিতাম কান রে,
বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে।

ও মন রে...

বঙ্গদেশে জন্ম হল
বাঙালি হয়ে থাকতে হল
পেটে ভীষণ খিদা তবু
মুখে বাউল গান রে,
বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে।

পাখিদের সুরে গান (গান)

গান- পাখিদের সুরে গান
কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৯
অ্যালবাম- ক্ষ্যাপার গান
শিল্পী- ক্রস উইন্ডস


কথা
চাঁদ ডুবে যায়, পাখির গানে হয় দিন শুরু
তবুও কাঁপে বুক দুরুদুরু, এ সকাল কে চায়?
বেলাশেষে রাত ক'বে হেসে বিদায়

শ্রান্ত তখন, ছকে বাঁধা দিন কাটে যখন
একঘেয়েমিতে ক্লান্ত মন, এ যে বিষম দায়
স্রোতে গা ভাসাই, জানি লোক হাসাই, হায়!

কেন দশটা আর পাঁচটার এ জাঁতাকলে পড়ে সকলে
বেসামাল আমরা সবাই?
চেনা ছোট খোপ, চেনা ঘেরাটোপ ছেড়ে বেরিয়ে, এড়িয়ে
দূরে বহুদূরে যেতে চাই!
জানি না তাই শেষ কোথায়...

কেউ যদি চাই পাখিদের মত দিন যাপন,
করে নিতে পারি আজ আপন, পাখিদের সুরে গাই
তবে ছোট ছোট আশা, ছোট ভালোবাসা পাই।

হোক তবে তাই, গ্লানি নয় আর স্বপ্নহীন
জীবনে যা আছে তা হোক রঙিন, যদি আমরাই
সাদামাটা এই ছন্দে থেকেও পারি তাই

কেন দশটা আর পাঁচটার এ জাঁতাকলে পড়ে সকলে
বেসামাল আমরা সবাই?
চেনা রাস্তায় ওই পাখিদের মত দিনযাপন, করে আজ আপন
পাখিদের সুরে সুরে গাই
এভাবে তাই পালটিয়ে পাই...

টুকরো কথা
গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের লেখা সর্বশেষ গান খুব সম্ভবত এইটাই। একটি অনুষ্ঠানে গড়ের মাঠ-এর সুব্রত ঘোষ এমনটাই বলেন।

ক্রিকেট (গান)

গান- ক্রিকেট
কথা ও সুর- প্রিয় চট্টোপাধ্যায়, অর্ণব চট্টোপাধ্যায়

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৯
অ্যালবাম- ক্ষ্যাপার গান
শিল্পী- অর্ণব চট্টোপাধ্যায়

কথা
কেউবা বোলার, কেউ ফিল্ডার
উইকেট কিপার, কেউ অলরাউন্ডার
জীবনের খেলা যে সীমিত ওভারে
তুমি আমি ব্যাটসম্যান, সকলে প্লেয়ার।

জীবনের মাঠ বড় অসমান
হঠাৎ গড়ানো বল লাফাবে
সাবধানে ফিল্ড করো ফিল্ডসম্যান
কখন যে নাক-মুখ ফাটাবে।

সময়ের পিচও বড় অসমান
হেলমেট গার্ড করে করো ব্যাট
সাবধানে ব্যাট করো ব্যাটসম্যান
দেখে শুনে ব্যাকফুটে মারো কাট।

কেউবা বোলার, কেউ ফিল্ডার...

উইকেট ঘিরে আছে ফিল্ডারস
তুলেছ কি ক্যাচ তুমি মরেছ
দেখে শুনে গুগলিকে সামলাও
ফ্লাইট বুঝে খেলো নয় ঠকেছ

লেংথ বুঝে বল করো ও বোলার
লুজ বল দিলে মার খেয়েছ
ঠিক করে ফিল্ড করো ফিল্ডার
ফেলেছ কি ক্যাচ ম্যাচ হেরেছ।

কেউবা বোলার, কেউ ফিল্ডার...

অনার ঝুলি সে তো স্কোরবোর্ড
তুলে নাও কত রান কুড়াবে
যত পারো মারো ফোর-সিক্সার
একদিন শেষ বল ফুরাবে

হারজিত বলে দেবে স্কোরবোর্ড
সবশেষে নিজেকেও হারাবে
শুন্য বা সেঞ্চুরি যাই হোক
প্যাভিলিয়নে পা বাড়াবে।

সাততলা বাড়ি (গান)

গান- সাততলা বাড়ি
কথা ও সুর- প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, কমল চক্রবর্তী

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৯
অ্যালবাম- ক্ষ্যাপার গান
শিল্পী- প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়


কথা

মনে করো সাততলা বাড়িটার
একতলা হাতি আর ইঁদুরের
দোতলায় বুড়ো থাকে রিটায়ার্ড
লাল-নীল উল বোনে বুড়ি তার।

তিনতলা ছবি আঁকে গ্যালারি
পিকাসো-রুবেন্স-দালি-রেনোয়া
চার তলা কথা বলে ফিসফিস
পাখি যদি উড়ে যায় ঘাবড়ে।

বাকি তিনতলা ঠিক খালি নয়
ধোপা থাকে গাধা নিয়ে অতিকায়
পাঁচ তলা ফেলে ওড়ে সাদা শার্ট
ভাবখানা বাবুদেরই খোলা মাঠ।

ছ’তলায় ছোটদের ইস্কুল
আন্টির কাঁধে বসে বুলবুল
সাততলা কারোও নয়, কারোও নয়
মেঘ থাকে নীল আকাশ-লাল ফুল।

তারাদের দুপুরের ভাত ঘুম
সেখানে খোকন সোনা মামনি
চাঁদ ধরে সূর্যের সাথি হয়...

সেখানে খোকন সোনা মামনি
চাঁদ ধরে সূর্যের সাথি হয়...

ঘরে ফেরার গান (গান)

গান- ঘরে ফেরার গান
কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়, পল্লব রায়, সুদীপ চট্টোপাধ্যায়

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৯
অ্যালবাম- ক্ষ্যাপার গান
শিল্পী- চন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় প্রকাশ- ২০০৩
অ্যালবাম- ঘরে ফেরার গান
শিল্পী- পরমা বন্দ্যোপাধ্যায়


কথা
আমি গাই ঘরে ফেরার গান
উতলা কেন এ প্রাণ
শুধু যে ডাকে, ফিরে আমাকে
বিদেশ বিভূঁইয়ে পড়ে আছি
তবু ছাড়েনা কেন ছাড়েনা পিছুটান।

আমি তাই এখনো ক্লান্তিহীন
চলেছি রাত্রি দিন
শুনি চমকে, যাই থমকে
কোথা হতে যেন ভেসে আসে
শুধু চেনা মুখ, চেনা মন মাঝে অমলিন।

ফিরব বললে ফেরা যায় নাকি
পেরিয়েছ দেশ-কাল জানো নাকি এসময়

এখনও সামনে পথ হাঁটা বাকি
চাইলেও দিতে পারবে না ফাঁকি নিশ্চয়...

আমি চাই ফিরে যেতে সেই গাঁয়
বাঁধানো বটের ছায়,
সেই নদীটির হাওয়া ঝিরঝির
মনের গভীরে পড়ে থাকা যত
স্মৃতি বিস্মৃতি কখনো কি ভোলা যায়?

আমি প্রায়ই এখনো খুঁজি সে দেশ
জানি নেই অবশেষ
মরীচিকা হায়, স্বপ্ন দেখায়
শৈশবে আর ফেরা যাবে না তো
নেই পথ নেই হারিয়ে গেছে সে দেশ।

ফিরব বললে ফেরা যায় নাকি
পেরিয়েছ দেশ-কাল জানো নাকি এসময়?

এখনও সামনে পথ হাঁটা বাকি
চাইলেও দিতে পারবেনা ফাঁকি নিশ্চয়...

টুকরো কথা
২০০৮ সালে প্রীতম চক্রবর্তী 'না বলিয়া' এ গানের সুর ভ্রম বলে একটি হিন্দি ছবির গানে ব্যবহার করেন। গানটি ছিল "জানে কিঁউ তনহা হো গয়ে", গায়ক ছিলেন সোনু নিগম।

তাকে যত তাড়াই দূরে (গান)

গান- তাকে যত তাড়াই দূরে
কথা ও সুর-  তাপস দাস, দীপঙ্কর চক্রবর্তী

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৯
অ্যালবাম- ক্ষ্যাপার গান
শিল্পী- তাপস দাস

দ্বিতীয় প্রকাশ- ২০১৫
অ্যালবাম- অন্য বসন্ত
শিল্পী- লগণজিতা চক্রবর্তী ও দিব্যেন্দু মুখোপাধ্যায়


কথা

তাকে যত তাড়াই দূরে দূরে
তবু সে আসে মেঘলা চোখে ঘুরে ফিরে,
থাকি আমি ভয়েই দূরে দূরে
যদি সে গেয়ে ওঠে অন্য কোনও সুরে।

আজকাল বা পরশু
যদি সে এসে দাঁড়ায়,
ছায়ার মত আমার ছায়ায়।

ছায়ারও ছায়াতে সে অন্যজন
ভরদুপুরে একলা রাতে অন্যমন।

সে অবুঝ খেয়ালি
সে ভীষণ একাকী,
আবেগ সবই তার তো ফাঁকি।

এখনো ভাবে সে ফুটবে পলাশ
ডাকবে কোকিল, বিছানায় সে ফিরবে পাশ।

সুধীজন শোনো (গান)

গান- সুধীজন শোনো
কথা- রঞ্জন ঘোষাল
সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়


রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৭৮ [১]
অ্যালবাম- অজানা উড়ন্ত বস্তু বা অ-উ-ব
শিল্পী- মহীনের ঘোড়াগুলি (তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, তাপস দাস, রঞ্জন ঘোষাল)

দ্বিতীয় প্রকাশ- ১৯৯৯ [২]
অ্যালবাম- ক্ষ্যাপার গান
শিল্পী- ক্রস উইন্ডস

[২] এই কভারে গানটি 'শোন সুধীজন' নামে সঙ্কলিত হয়েছিল।

কথা


শুধু আজ নয় প্রতিদিন
সাত পাঁচ ভাবনা আর দুঃস্বপ্ন মেখে ঘুম ভাঙে আমার
তোমরা কেমন আছো?
তোমরা কি আমলকি গাছের ছায়ায় মোষের বিষন্ন ডাক শুনে
আনমনা হও আগেকার মতো?

শোনো সুধীজন, শোনো প্রিয়জন
শোনো সুধীজন, শোনো প্রিয়জন।

শুধু আজ নয় প্রতিরাত
তোমাদের পরকাল ভেবে, তোমাদের কথা ভেবে ঘুমহীন রাত জাগি।
নগরবাসীরা শোনো,
তোমাদের অন্যায়ে আমাদের অবহেলা মিশে কোন নরক মাতায়
তা জানো কি?

শোনো সুধীজন, শোনো প্রিয়জন
শোনো সুধীজন, শোনো প্রিয়জন।

শুধু শেষ নয় শুরুতেই
বড়শির আঁকশিতে বিঁধে, আকাশের দিকে পিঠ হাজার চড়ক ঘুরছে 

নীচে শত হাততালি মেরে
উল্লাসে ফেটে গেছ কতবার ঝুলন্ত মানুষের ব্যথাছবি রাঙা চোখে চেয়ে,
তা মানো কি?
[১]

শোনো সুধীজন, শোনো প্রিয়জন
শোনো সুধীজন, শোনো প্রিয়জন।

*

গানের দুটি কভারে কথার কিছু পার্থক্য আছে। ক্রস উইন্ডসের করা কভারে শেষ ভার্স নীচের মত গাওয়া হয়:

শুধু শেষ নয় শুরুতেই
বড়শির আঁকশিতে বিঁধে, আকাশের দিকে পিঠ হাজার চড়ক ঘুরছে 

নীচে শত হাততালি মেরে
উল্লাসে ফেটে গেছ কতবার, কখনও কি দেখেছ নিজেদের দিকে তাকিয়ে?
দেখেছ কি?
[২]

তাই জানাই গানে (গান)

শিরোনাম- তাই জানাই গানে
কথা ও সুর- অরুণেন্দু দাস (জিম ক্রোচি-র "I'll Have to Say I Love You in A Song" এর ছায়ায়)

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৯ [১]
অ্যালবাম- ক্ষ্যাপার গান
শিল্পী- অরুণেন্দু দাস

দ্বিতীয় প্রকাশ- ২০০৪ [২]
অ্যালবাম- অরুণদার গান
শিল্পী- অরুণেন্দু দাস

[২] এই কভারে গানটি "জানাতে যত চাই" নামে সঙ্কলিত হয়েছিল।

কথা

জানাতে যত যাই কথায়, হারায় ততই মানে
ভালোবাসি তোমায়, তাই জানাই গানে।


কেন এমন যে মনে হয়,
কথা শুধুই কথা আর নয়
যেন উজাড় করে চায় দিতে আজ যা কিছু প্রাণে।
ভালোবাসি তোমায়, তাই জানাই গানে।

জানাতে যত যাই কথায়, হারায় ততই মানে...

কিছুতে হয় না বলা আর
শত কথায় যা বলার
বুঝি জানাতে চাই সব যারে মোর, আপনি সে জানে।
ভালোবাসি তোমায়, তাই জানাই গানে।

জানাতে যত যাই কথায়, হারায় ততই মানে...
[১৯৭৫]


টুকরো কথা

গানটি জিম ক্রোচির বিখ্যাত গান "I'll Have to Say I Love You in A Song" -এর ছায়া অনুসারে তৈরি। অরুণ দার কথামত, "গানটার প্রথম দু'লাইনের কথা ও সুর এমন ভাবে দাগ কেটেছিল মনে যে গুন-গুন করে কর্ড দিয়ে গাইতে গাইতে লেখা হয়ে গেল 'ভালবাসি তোমায়, তাই জানাই গানে'। বাকি অংশটুকুর কথা ও সুর আমার বাঙালী মেজাজের সাথে মেলাতে না পেরে নিজের মত করে লিখে নিয়েছিলাম।"

ক্ষ্যাপার গান (অ্যালবাম)

ক্ষ্যাপার গান
 ("মহীনের ঘোড়াগুলি সম্পাদিত বাংলা গান")

শিল্পী- বিভিন্ন
প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৯
ফরম্যাট- ক্যাসেট
ট্র্যাক সংখ্যা-
দৈর্ঘ- ৪২ মিনিট ৩৭ সেকেন্ড
লেবেল- আশা অডিও

অ্যালবাম কভার

ফ্রন্ট কভার


ব্যাক কভার


ট্র্যাক লিস্ট
০১. শোনো সুধীজন
(ক্রস উইন্ডস । কথা ও সুর- মহীনের ঘোড়াগুলি)
০২. ক্রিকেট
(অর্ণব চট্টোপাধ্যায় । কথা ও সুর- প্রিয় চট্টোপাধ্যায়, অর্ণব চট্টোপাধ্যায়)
(প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় । কথা ও সুর- কমল চক্রবর্তী, প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়)
(গৌতম চট্টোপাধ্যায় । ভাব- প্রচলিত, কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়)
(চন্দ্রানী বন্দ্যোপাধ্যায় । কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়, পল্লব রায়, সুদীপ চট্টোপাধ্যায়)
(তাপস দাস । কথা ও সুর- তাপস দাস, দীপঙ্কর চক্রবর্তী)
০৭. সবাই তো ইনসান
(অনুপ বিশ্বাস, বাদল সরকার । কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়, তাপস দাস)
(অরুণেন্দু দাস । কথা ও সুর- অরুণেন্দু দাস)
(ক্রস উইন্ডস । কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়)  


ক্রেডিট

গানশব্দযন্ত্রী- দেবজিৎ বিশ্বাস ও শ্রীরূপ
রেকর্ডিং স্টুডিও- প্রেস্তো
যন্ত্রানুসঙ্গ- ডোয়াইট, বনি, টুকি, গৌতম, চিরো ও রাজা

কৃতজ্ঞতা- প্রবীর দাস, নীল মুখোপাধ্যায়, মহুয়া লাহিড়ি, তুষার হালদার ও মিনতি চট্টোপাধ্যায়