তাপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
তাপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

তাকে যত তাড়াই দূরে (গান)

গান- তাকে যত তাড়াই দূরে
কথা ও সুর-  তাপস দাস, দীপঙ্কর চক্রবর্তী

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৯
অ্যালবাম- ক্ষ্যাপার গান
শিল্পী- তাপস দাস

দ্বিতীয় প্রকাশ- ২০১৫
অ্যালবাম- অন্য বসন্ত
শিল্পী- লগণজিতা চক্রবর্তী ও দিব্যেন্দু মুখোপাধ্যায়


কথা

তাকে যত তাড়াই দূরে দূরে
তবু সে আসে মেঘলা চোখে ঘুরে ফিরে,
থাকি আমি ভয়েই দূরে দূরে
যদি সে গেয়ে ওঠে অন্য কোনও সুরে।

আজকাল বা পরশু
যদি সে এসে দাঁড়ায়,
ছায়ার মত আমার ছায়ায়।

ছায়ারও ছায়াতে সে অন্যজন
ভরদুপুরে একলা রাতে অন্যমন।

সে অবুঝ খেয়ালি
সে ভীষণ একাকী,
আবেগ সবই তার তো ফাঁকি।

এখনো ভাবে সে ফুটবে পলাশ
ডাকবে কোকিল, বিছানায় সে ফিরবে পাশ।

এ কী কথা শুনি হায় (গান)

গান- এ কী কথা শুনি হায়
কথা ও সুর- তাপস দাস, গৌতম চট্টোপাধ্যায়

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৭
অ্যালবাম- মায়া
শিল্পী- লক্ষীছাড়া

কথা

বোঝো কি না বোঝো, সে কথা বড় নয়
মন খুলে আর প্রাণ ভরে হাসি হাসতে হয়।
কে কী ভাববে, মনে করবে তা করলে ভয়,
নতুন কিছু কী করে করবে জয়?

শুনতে চাও বা না চাও, তাতে কি এসে যায়
এই গানের সুর দূরে বহুদূরে ভেসে যায়
এ সুর বন্ধ করার চেষ্টা কেন হায়,
নতুন কিছু কী করে করবে জয়?

এ কী কথা শুনি হায়,
জাত কুল মান সব যায়,
গেল গেল গেল, হায় হায়,
সব বুঝি রসাতলে যায়!

ঠিক না বেঠিক, সত্যি মিথ্যে তা জানি না
ধরাবাঁধা ছকে নিয়মটা মানি না
দেখো তুমি আসতে পারো কি, পারো না
নতুন কিছু কী করে করবে জয়?

শুনতে চাও বা না চাও, তাতে কি এসে যায়
এই গানের সুর দূরে বহুদূরে ভেসে যায়
এ সুর বন্ধ করার চেষ্টা কেন হায়,
নতুন কিছু কী করে করবে জয়?

এ কী কথা শুনি হায়,
জাত কুল মান সব যায়,
গেল গেল গেল, হায় হায়,
সব বুঝি রসাতলে যায়!

পড়াশোনায় জলাঞ্জলি (গান)

গান- পড়াশোনায় জলাঞ্জলি
কথা ও সুর- তাপস দাস ও গৌতম চট্টোপাধ্যায়

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৫
অ্যালবাম- আবার বছর কুড়ি পরে
শিল্পী- লক্ষীছাড়া

*গানটি ক্যাসেটে "পড়াশোনার জলাঞ্জলি" নামে সঙ্কলিত ছিল।


কথা

পড়াশোনায় জলাঞ্জলি ভেবে মূর্খ বলছ কি?
তোমরা বলছ আমাদের জীবনের চার আনাই ফাঁকি।

হে, ষোল আনা থেকে যদি চার আনা যায়
হিসেব দাঁড়ায় এসে বারো আনায়,
কিন্ত বারো আনাতে আমরা খুশি
আমাদের চাওয়ার চেয়ে অনেক বেশি।

মানিনা মানবোনা, করছো ছি ছি ছি
তোমরা বলছো অবাধ্য জীবনের আট আনাই ফাঁকি।

হে ষোল আনা থেকে যদি আট আনা যায়
হিসেব দাঁড়ায় এসে সেই আট আনায়,
কিন্ত আট আনাতে আমরা খুশি
আমাদের চাওয়ার চেয়ে অনেক বেশি।

আমাদের পরকাল ঝরঝরে ভেবে দুঃখ করছ কি?
তোমরা বলছ এলোমেলো জীবনের বারো আনাই ফাঁকি।

হে ষোল আনা থেকে যদি বারো আনা যায়
হিসেব দাঁড়ায় এসে মোটে চার আনায়,
কিন্ত চার আনাতে আমরা খুশি
আমাদের চাওয়ার চেয়ে অনেক বেশি !

ভালো, ভালোবাসা তোমরা জানো কি?
ভালোবাসতে না জানলে জীবনের ষোল আনাই ফাঁকি !

হে ষোল আনা থেকে যদি ষোল আনা যায়
হিসেবটা কষে দেখো দাড়াও কোথায় !
শুধু শূন্য, শূন্য, শূন্য রাশিরাশি !
তোমাদের কথা ভেবে আমরা হাসি...



টুকরো কথা

[১] গানটি আসলে গৌতম চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত একটি সিনেমার জন্য লেখা হয়, যা কোনওদিনও তৈরি হয় নি।

[২] এ গান সম্পর্কে ক্যাসেটের সাথে দেওয়া বুকলেটে বলা হয়েছে: " 'লক্ষীছাড়া' এই পাঁচজন- সাম্য গোস্বামী, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক আচার্য-চৌধুরী, অংশুমান সরকার আর গৌরব চট্টোপাধ্যায়- বয়স যাদের বারো থেকে সতেরোয়... ওরা নিশ্চিত জানে, কাক-বক পাখিকূল ফের উড়ে যাবে এই গানে।" পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় হলেন এখনকার অভিনেতা পরমব্রত আর গৌরব চট্টোপাধ্যায় ওরফে গাবু, বর্তমানে লক্ষীছাড়ার ড্রামার ও গৌতমের পুত্র।

হায় ভালোবাসি (গান)

গান- হায় ভালোবাসি
কথা- রঞ্জন ঘোষাল, তাপস দাস ও তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুর- তাপস দাস ও তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়


রেকর্ড 

প্রথম প্রকাশ- ১৯৭৭ [১]
অ্যালবাম- সংবিগ্ন পাখিকূল ও কলকাতা বিষয়ক
শিল্পী-  মহীনের ঘোড়াগুলি (তাপস দাস ও তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, কোরাস- গৌতম চট্টোপাধ্যায়, প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায় ও রঞ্জন ঘোষাল)

দ্বিতীয় প্রকাশ- ১৯৯৭ [২]
অ্যালবাম- মায়া
শিল্পী- রাজা বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌতম চট্টোপাধ্যায়, বনি ও ঋতুপর্ণা দাস
এাই কভারে গানটি "হায় ভালবাসি" নামে সঙ্কলিত হয়।

কথা

ভালোবাসি জ্যোৎস্নায় কাশবনে ছুটতে
ছায়া ঘেরা মেঠোপথে ভালোবাসি হাঁটতে
দূর পাহাড়ের গায়ে গোধূলীর আলো মেখে
কাছে ডাকে ধান খেত সবুজ দিগন্তে

তবুও কিছুই যেন ভালো যে লাগেনা কেন?
উদাসী পথের মাঝে মন পড়ে থাকে যেন,
কোথায় রয়েছে ভাবি লুকিয়ে বিষাদ তবুও...

ভালো লাগে ডিঙি নৌকায় চড়ে ভাসতে
প্রজাপতি, বুনোহাঁস ভালো লাগে দেখতে
জানলার কোণে বসে উদাসী বিকেল দেখে
ভালোবাসি একমনে কবিতা পড়তে

তবুও কিছুই যেন ভালো যে লাগেনা কেন?
উদাসী পথের মাঝে মন পড়ে থাকে যেন,
কোথায় রয়েছে ভাবি লুকিয়ে বিষাদ তবুও...

যখন দেখি ওরা কাজ করে গ্রামে বন্দরে,
শুধুই ফসল ফলায়, ঘাম ঝরায় মাঠে প্রান্তরে,
তখন ভালো লাগে না, লাগে না, কোনও কিছু 

সেদিন কাছে এসো, ভালোবাসি একসাথে সব কিছু। [১]


ভালোবাসি পিকাসো-বুনুয়েল-দান্তে
বিটল্‌স্‌-ডিলান আর বেথোফেন শুনতে
রবিশঙ্কর আর আলি আকবর শুনে
ভালো লাগে ভোরে কুয়াশায় ঘরে ফিরতে

তবুও কিছুই যেন ভালো যে লাগেনা কেন?
উদাসী পথের মাঝে মন পড়ে থাকে যেন,
কোথায় রয়েছে ভাবি লুকিয়ে বিষাদ তবুও...

যখন দেখি ওরা কাজ করে গ্রামে বন্দরে,
শুধুই ফসল ফলায়, ঘাম ঝরায় মাঠে প্রান্তরে,
তখন ভালো লাগে না, লাগে না, কোনও কিছু 

সেদিন কাছে এসো, ভালোবাসি একসাথে সব কিছু।


*

মায়া অ্যালবামের কভার ভার্সানে "যখন দেখি ওরা..." ভার্সটাকেই গাওয়া হয়েছে এভাবে:

যখন দেখি ওরা কাজ করে গ্রামে বন্দরে,
শুধুই ফসল ফলায়, ঘাম ঝরায় মাঠে প্রান্তরে,
তখন ভালো লাগে না, লাগে না, কোনও কিছুই

সুদিন কাছে এসো, ভালোবাসি একসাথে সব কিছুই। [২]


ভেসে আসে কলকাতা (গান)

গান- ভেসে আসে কলকাতা
কথা- রঞ্জন ঘোষাল ও তাপস দাস
সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায় ও তাপস দাস


রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৭৭
অ্যালবাম- সংবিগ্ন পাখিকূল ও কলকাতা বিষয়ক
শিল্পী-  মহীনের ঘোড়াগুলি (তাপস দাস ও তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, লিড গিটার- গৌতম চট্টোপাধ্যায়)

কথা

ভেসে আসে কলকাতা কুয়াশা-তুলিতে আঁকা
শহরতলির ভোর মনে পড়ে
কাঠচাঁপা আর কৃষ্ণ-চূড়ার শৈশব শুধু খেলা করে
স্মৃতির ভেতর ট্রামের ধ্বনি বিবাগী সুর গড়ে
এই প্রবাসে ক্যালেন্ডারের পাতাই শুধু ঝরে
কলকাতা - ও - কলকাতা।

গুলতি ছোঁড়া ঘুড়ি ওড়ার
অগস্ট দুপুর কে দেবে ফিরে
পরবাসের হৃদয় জুড়ে এই অভিমান শুধু ভ'রে
স্টিমার ঘাটের ভোঁ কেন আজ আবার উদাস করে
ভেসে আসে কলকাতা শুধু কুয়াশার ভোরে
কলকাতা - ও - কলকাতা।

এই সুরে বহুদূরে (গান)

গান- এই সুরে বহুদূরে
কথা ও সুর- তাপস দাস (বাপি)

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৭৯
অ্যালবাম- দৃশ্যমান মহীনের ঘোড়াগুলি
শিল্পী- মহীনের ঘোড়াগুলি

দ্বিতীয় প্রকাশ- ১৯৯৪
অ্যালবাম- কন্ঠে নিলেম নতুন গান
শিল্পী- কনকর্ড ট্রায়ো


কথা

এই সুরে বহুদূরে চলে যাবো, চলে যাবো-
পথ দেখাবো, পথ দেখাবো
আসলে এসো না এই নতুনপুরে।

আর ভাবনা নেই, আপনাতেই সুর ঝরাবো, সুর ঝরাবো
সব সরাবো সব সরাবো
সবকিছু যা আছে পুরোনোতেই।

ফিরবো না পিছনে
আর অন্ধকারে,
শব্দহীন শব্দের এই আঁধারে।

আর দেরি নয়, দেরি নয়, মন চলে, মন চলে
ছাউনিতলে ছাউনিতলে
যেখানে পাবো ভোরের স্বপ্নজয়।

ফিরবো না পিছনে
আর অন্ধকারে,
শব্দহীন শব্দের এই আঁধারে।