স্বপ্ন নেই (অ্যালবাম)

স্বপ্ন নেই
 ("বাংলা গান")

শিল্পী- নগর ফিলোমেল/ "সঙ্গে ইন্দ্রনীল"
প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৬
ফরম্যাট- ক্যাসেট 
ট্র্যাক সংখ্যা- ৮
দৈর্ঘ- ? মিনিট ? সেকেন্ড
লেবেল- এইচ এম ভি

অ্যালবাম কভার

অ্যালবাম কভার
ইনলে কার্ড

ট্র্যাক লিস্ট
০১. শুধু ছবি
(ইন্দ্রনীল সেন। কথা- গৌতম নাগ, সুর- সৌগত বন্দ্যোপাধ্যায়)
০২. সাইকেল
(ইন্দ্রজিৎ সেন । কথা- অভিরূপ সরকার, সুর- ইন্দ্রজিৎ সেন )
০৩. বিজনের চায়ের কেবিন
(ইন্দ্রনীল সেন | কথা- গৌতম নাগ, সুর- ইন্দ্রজিৎ সেন)
০৪. নগর ফিলোমেল
(ইন্দ্রজিৎ সেন, ইন্দ্রনীল সেন। কথা- গৌতম নাগ, সুর- ইন্দ্রজিৎ সেন)
০৫. ছেলেবেলা
(ইন্দ্রজিৎ সেন । কথা- গৌতম নাগ, সুর- ইন্দ্রজিৎ সেন)
০৬. হায়! প্রেম
(ইন্দ্রনীল সেন। কথা- গৌতম নাগ, সুর- সৌগত বন্দ্যোপাধ্যায়)
০৭. নেশা
(ইন্দ্রনীল সেন | কথা- গৌতম নাগ, সুর- ইন্দ্রজিৎ সেন)
০৮. পরিবেশ
(ইন্দ্রনীল সেন | কথা- গৌতম নাগ, সুর- ইন্দ্রজিৎ সেন)

ক্রেডিট

অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়- সঙ্গীতায়োজন

সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায়- ড্রামস
অমিত দত্ত ও সৌগত বন্দ্যোপাধ্যায়- গিটার
সঞ্জয় চক্রবর্তী - কিবোর্ড
দেবজিৎ বিশ্বাস - শব্দগ্রহন


আমরা গান গাই যে সুরে (অ্যালবাম)

আমরা গান গাই যে সুরে
 ("সহর সংগীত")

শিল্পী- নগর ফিলোমেল
প্রথম প্রকাশ- ১৯৮৫
ফরম্যাট- ক্যাসেট 
ট্র্যাক সংখ্যা- ১২
দৈর্ঘ- ? মিনিট ? সেকেন্ড
লেবেল- এইচ এম ভি

অ্যালবাম কভার


ট্র্যাক লিস্ট

০১. নগর ফিলোমেল
(ইন্দ্রজিৎ সেন, ইন্দ্রনীল সেন, রিমলি সেনগুপ্ত, ইন্দ্রাণী সেন, প্রবুদ্ধ বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা- গৌতম নাগ, সুর- ইন্দ্রজিৎ সেন)
০২. প্রিয় মহানগরী
(রিমলি সেনগুপ্ত । কথা- গৌতম নাগ, সুর- ইন্দ্রজিৎ সেন)
০৩. ভালোবাসার নিখাদ খোলামাঠ
(ইন্দ্রজিৎ সেন, রিমলি সেনগুপ্ত । কথা ও সুর- হর্ষ দাশগুপ্ত)
০৪. নীল নির্বাসন
(ইন্দ্রজিৎ সেন, ইন্দ্রনীল সেন, প্রবুদ্ধ বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা ও সুর- হর্ষ দাশগুপ্ত)
০৫. বিমগ্ন উদাসীন
(ইন্দ্রজিৎ সেন । কথা ও সুর- রঞ্জন প্রসাদ)
০৬. অজানা উড়ন্ত বস্তু
(সৌগত বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রবুদ্ধ বন্দ্যোপাধ্যায় । কথা ও সুর- মহীনের ঘোড়াগুলি)
০৭. ভাসামানুষের গান
(ইন্দ্রনীল সেন । কথা- গৌতম নাগ, সুর- ইন্দ্রজিৎ সেন)
০৮. কাজের মেয়ে
(ইন্দ্রাণী সেন । কথা- গৌতম নাগ, সুর- ইন্দ্রজিৎ সেন)
০৯. করতালি
(ইন্দ্রাণী সেন । কথা ও সুর- হর্ষ দাশগুপ্ত)
১০. ছেলেবেলা
(রিমলি সেনগুপ্ত । কথা ও সুর- হর্ষ দাশগুপ্ত)
১১. বিজনের চায়ের কেবিন
(ইন্দ্রজিৎ সেন | কথা- গৌতম নাগ, সুর- ইন্দ্রজিৎ সেন)
১২. ছুটি
(রিমলি সেনগুপ্ত ও ইন্দ্রাণী সেন । কথা- গৌতম নাগ, সুর- ইন্দ্রজিৎ সেন)


ক্রেডিট

অ্যান্টো মেঞ্জেস- অ্যারেঞ্জমেন্ট

অমল রায়- ড্রামস
ইউজিন আইজ্যাক- গিটার
সুভাষ মন্ডল- কিবোর্ড

নগর ফিলোমেল
গৌতম নাগ - কথা, গিটার
ইন্দ্রজিৎ সেন - কন্ঠ, সুর, গিটার
রিমলি সেনগুপ্ত - কন্ঠ
প্রবুদ্ধ বন্দ্যোপাধ্যয় - কন্ঠ, গিটার, ভায়োলিন, হার্মোনিকা
সৌগত বন্দ্যোপাধ্যায় - কন্ঠ, গিটার, ভায়োলিন, পিয়ানো
ইন্দ্রাণী সেন - কন্ঠ
ইন্দ্রনীল সেন - কন্ঠ

বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে (গান)

গান- বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে
ভাব- প্রচলিত
কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়


রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৯
অ্যালবাম- ক্ষ্যাপার গান
শিল্পী- গৌতম চট্টোপাধ্যায়

কথা
ও মন রে, ও মন রে
ও মন, ও মন, ও মন রে...


বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে

আমি যদি জার্মান হতাম
বোতল বোতল বিয়ার খেতাম
আবার কনসার্টে পিয়ানো শুনতাম
দেখতিস আমার মান রে,
বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে।

আমি যদি ফ্রেঞ্চ হতাম
চিজ রুটি আর ওয়াইন খেতাম
গায়ে পারফিউম মেখে করতাম
সংস্কৃতির ভান রে,
বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে।

ও মন রে...

আমি যদি ইটালিয়ান হতাম
পিৎজা কাপুচিনো খেতাম
ভূমধ্য সাগরে আবার করতাম
আমি স্নান রে,
বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে।

আমি যদি ব্রিটিশ হতাম
কাউন্টি লিগে চিকেন খেতাম
আবার রানীর থেকে নাইটহুড পেতাম
করতাম হুইস্কি পান রে,
বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে।

ও মন রে...

আমি যদি স্প্যানিশ হতাম
ফ্ল্যামেঙ্কো গিটার বাজাইতাম
বুল ফাইটিং করতাম দেখতি
মাতাদরের জান রে,
বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে।

আমি যদি আমেরিকান হতাম
দাদাগিরি খুব ফলাতাম
আবার স্যাংশানের ভয় দেখিয়ে
মলে দিতাম কান রে,
বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে।

ও মন রে...

বঙ্গদেশে জন্ম হল
বাঙালি হয়ে থাকতে হল
পেটে ভীষণ খিদা তবু
মুখে বাউল গান রে,
বাঙ্গালি করেছে ভগবান রে।

পাখিদের সুরে গান (গান)

গান- পাখিদের সুরে গান
কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৯
অ্যালবাম- ক্ষ্যাপার গান
শিল্পী- ক্রস উইন্ডস


কথা
চাঁদ ডুবে যায়, পাখির গানে হয় দিন শুরু
তবুও কাঁপে বুক দুরুদুরু, এ সকাল কে চায়?
বেলাশেষে রাত ক'বে হেসে বিদায়

শ্রান্ত তখন, ছকে বাঁধা দিন কাটে যখন
একঘেয়েমিতে ক্লান্ত মন, এ যে বিষম দায়
স্রোতে গা ভাসাই, জানি লোক হাসাই, হায়!

কেন দশটা আর পাঁচটার এ জাঁতাকলে পড়ে সকলে
বেসামাল আমরা সবাই?
চেনা ছোট খোপ, চেনা ঘেরাটোপ ছেড়ে বেরিয়ে, এড়িয়ে
দূরে বহুদূরে যেতে চাই!
জানি না তাই শেষ কোথায়...

কেউ যদি চাই পাখিদের মত দিন যাপন,
করে নিতে পারি আজ আপন, পাখিদের সুরে গাই
তবে ছোট ছোট আশা, ছোট ভালোবাসা পাই।

হোক তবে তাই, গ্লানি নয় আর স্বপ্নহীন
জীবনে যা আছে তা হোক রঙিন, যদি আমরাই
সাদামাটা এই ছন্দে থেকেও পারি তাই

কেন দশটা আর পাঁচটার এ জাঁতাকলে পড়ে সকলে
বেসামাল আমরা সবাই?
চেনা রাস্তায় ওই পাখিদের মত দিনযাপন, করে আজ আপন
পাখিদের সুরে সুরে গাই
এভাবে তাই পালটিয়ে পাই...

টুকরো কথা
গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের লেখা সর্বশেষ গান খুব সম্ভবত এইটাই। একটি অনুষ্ঠানে গড়ের মাঠ-এর সুব্রত ঘোষ এমনটাই বলেন।

ক্রিকেট (গান)

গান- ক্রিকেট
কথা ও সুর- প্রিয় চট্টোপাধ্যায়, অর্ণব চট্টোপাধ্যায়

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৯
অ্যালবাম- ক্ষ্যাপার গান
শিল্পী- অর্ণব চট্টোপাধ্যায়

কথা
কেউবা বোলার, কেউ ফিল্ডার
উইকেট কিপার, কেউ অলরাউন্ডার
জীবনের খেলা যে সীমিত ওভারে
তুমি আমি ব্যাটসম্যান, সকলে প্লেয়ার।

জীবনের মাঠ বড় অসমান
হঠাৎ গড়ানো বল লাফাবে
সাবধানে ফিল্ড করো ফিল্ডসম্যান
কখন যে নাক-মুখ ফাটাবে।

সময়ের পিচও বড় অসমান
হেলমেট গার্ড করে করো ব্যাট
সাবধানে ব্যাট করো ব্যাটসম্যান
দেখে শুনে ব্যাকফুটে মারো কাট।

কেউবা বোলার, কেউ ফিল্ডার...

উইকেট ঘিরে আছে ফিল্ডারস
তুলেছ কি ক্যাচ তুমি মরেছ
দেখে শুনে গুগলিকে সামলাও
ফ্লাইট বুঝে খেলো নয় ঠকেছ

লেংথ বুঝে বল করো ও বোলার
লুজ বল দিলে মার খেয়েছ
ঠিক করে ফিল্ড করো ফিল্ডার
ফেলেছ কি ক্যাচ ম্যাচ হেরেছ।

কেউবা বোলার, কেউ ফিল্ডার...

অনার ঝুলি সে তো স্কোরবোর্ড
তুলে নাও কত রান কুড়াবে
যত পারো মারো ফোর-সিক্সার
একদিন শেষ বল ফুরাবে

হারজিত বলে দেবে স্কোরবোর্ড
সবশেষে নিজেকেও হারাবে
শুন্য বা সেঞ্চুরি যাই হোক
প্যাভিলিয়নে পা বাড়াবে।

সাততলা বাড়ি (গান)

গান- সাততলা বাড়ি
কথা ও সুর- প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, কমল চক্রবর্তী

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৯
অ্যালবাম- ক্ষ্যাপার গান
শিল্পী- প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়


কথা

মনে করো সাততলা বাড়িটার
একতলা হাতি আর ইঁদুরের
দোতলায় বুড়ো থাকে রিটায়ার্ড
লাল-নীল উল বোনে বুড়ি তার।

তিনতলা ছবি আঁকে গ্যালারি
পিকাসো-রুবেন্স-দালি-রেনোয়া
চার তলা কথা বলে ফিসফিস
পাখি যদি উড়ে যায় ঘাবড়ে।

বাকি তিনতলা ঠিক খালি নয়
ধোপা থাকে গাধা নিয়ে অতিকায়
পাঁচ তলা ফেলে ওড়ে সাদা শার্ট
ভাবখানা বাবুদেরই খোলা মাঠ।

ছ’তলায় ছোটদের ইস্কুল
আন্টির কাঁধে বসে বুলবুল
সাততলা কারোও নয়, কারোও নয়
মেঘ থাকে নীল আকাশ-লাল ফুল।

তারাদের দুপুরের ভাত ঘুম
সেখানে খোকন সোনা মামনি
চাঁদ ধরে সূর্যের সাথি হয়...

সেখানে খোকন সোনা মামনি
চাঁদ ধরে সূর্যের সাথি হয়...

ঘরে ফেরার গান (গান)

গান- ঘরে ফেরার গান
কথা ও সুর- গৌতম চট্টোপাধ্যায়, পল্লব রায়, সুদীপ চট্টোপাধ্যায়

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৯৯
অ্যালবাম- ক্ষ্যাপার গান
শিল্পী- চন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় প্রকাশ- ২০০৩
অ্যালবাম- ঘরে ফেরার গান
শিল্পী- পরমা বন্দ্যোপাধ্যায়


কথা
আমি গাই ঘরে ফেরার গান
উতলা কেন এ প্রাণ
শুধু যে ডাকে, ফিরে আমাকে
বিদেশ বিভূঁইয়ে পড়ে আছি
তবু ছাড়েনা কেন ছাড়েনা পিছুটান।

আমি তাই এখনো ক্লান্তিহীন
চলেছি রাত্রি দিন
শুনি চমকে, যাই থমকে
কোথা হতে যেন ভেসে আসে
শুধু চেনা মুখ, চেনা মন মাঝে অমলিন।

ফিরব বললে ফেরা যায় নাকি
পেরিয়েছ দেশ-কাল জানো নাকি এসময়

এখনও সামনে পথ হাঁটা বাকি
চাইলেও দিতে পারবে না ফাঁকি নিশ্চয়...

আমি চাই ফিরে যেতে সেই গাঁয়
বাঁধানো বটের ছায়,
সেই নদীটির হাওয়া ঝিরঝির
মনের গভীরে পড়ে থাকা যত
স্মৃতি বিস্মৃতি কখনো কি ভোলা যায়?

আমি প্রায়ই এখনো খুঁজি সে দেশ
জানি নেই অবশেষ
মরীচিকা হায়, স্বপ্ন দেখায়
শৈশবে আর ফেরা যাবে না তো
নেই পথ নেই হারিয়ে গেছে সে দেশ।

ফিরব বললে ফেরা যায় নাকি
পেরিয়েছ দেশ-কাল জানো নাকি এসময়?

এখনও সামনে পথ হাঁটা বাকি
চাইলেও দিতে পারবেনা ফাঁকি নিশ্চয়...

টুকরো কথা
২০০৮ সালে প্রীতম চক্রবর্তী 'না বলিয়া' এ গানের সুর ভ্রম বলে একটি হিন্দি ছবির গানে ব্যবহার করেন। গানটি ছিল "জানে কিঁউ তনহা হো গয়ে", গায়ক ছিলেন সোনু নিগম।