গৌতম নাগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গৌতম নাগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

প্রিয় মহানগরী (গান)

গান- প্রিয় মহানগরী
কথা- গৌতম নাগ
সুর- ইন্দ্রজিৎ সেন

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৮৫
অ্যালবাম- আমরা গান গাই যে সুরে
শিল্পী- নগর ফিলোমেল (রিমলি সেনগুপ্ত)


কথা

সারিসারি উঁচু বাড়ি ঢেকেছে তোমার আকাশ
ধোঁয়া ধুলো জঞ্জালে বিষানো বাতাস

নয়া নাম, পিনকোডে পেলে নিবাস নিশানা
এঁদোগলি বাইলেনে আছো কি আছো না?

(আহা) কলকাতা, প্রিয় মহানগরী।

মেলামেশা, কফি-কবি ফিল্ম-থিয়েটার
খেলা কী হুজুগে কাঁপে ট্রাফিক বাজার

বিজলীর লুকোচুরি, থাক না বিকল টেলিফোন
তবু ডাক পেলে আর প্রবাসে থাকে না মন

(আহা) কলকাতা, প্রিয় মহানগরী।

নগর ফিলোমেল (গান)

গান- নগর ফিলোমেল
কথা- গৌতম নাগ, সুর- ইন্দ্রজিৎ সেন

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৮৫
অ্যালবাম- আমরা গান গাই যে সুরে
শিল্পী- নগর ফিলোমেল (ইন্দ্রজিৎ সেন, ইন্দ্রনীল সেন, রিমলি সেনগুপ্ত, ইন্দ্রাণী সেন, প্রবুদ্ধ বন্দ্যোপাধ্যায়)


দ্বিতীয় প্রকাশ- ১৯৯৬
অ্যালবাম- স্বপ্ন নেই
শিল্পী- ইন্দ্রজিৎ সেন ও ইন্দ্রনীল সেন

কথা

একদিন সুতানুটি ছেড়ে ডানা মেলে উড়ে চলি
তারাভরা আকাশের নীচে
সেই থেকে প্রতিদিন, সে শহরে চোখে পড়ে
প্রাণহীন তোমাদের মুখ
বোঝো না কেমন করে মিছিমিছি ঘরে তুলে নিয়েছ অসুখ।

নগর ফিলোমেল, নগর ফিলোমেল

পায়রা আতর মেখে হারিয়েছে আকাশে
টাকার তৈরি ঘুড়ি কেটে গেছে বাতাসে
ধীরে ধীরে এই ভাবে দেনা বেড়ে ঘুণ ধরে
ভেঙে পড়ে আড়কাঠ, শ্যাওলায় ইঁটের দেওয়াল
আর অবিরাম গড়ে চলো ভিতহীন শহর চাতাল।

আসে যায় বারবার সোম-শনি-রবিবার
খুঁজে ফেরো পরশপাথর,
লটারি তাবিজে মোড়া, বলি দাও পাঁঠাজোড়া
তবু সুখ মেলা ভার সোম-শনি-রবিবার।

আমরা গান গাই যে সুরে
সেই সুর বাজে সারা প্রাণ জুড়ে
যত অসুখ হেসে সুখ হয়ে যায়,
মিছে শুধু খুঁজে ফেরো পরশপাথর।

নগর ফিলোমেল, নগর ফিলোমেল

বিজনের চায়ের কেবিন (গান)

গান- বিজনের চায়ের কেবিন
কথা- গৌতম নাগ
সুর- ইন্দ্রজিৎ সেন

রেকর্ডিং

প্রথম প্রকাশ- ১৯৮৫
অ্যালবাম- আমরা গান গাই যে সুরে
শিল্পী- নগর ফিলোমেল (ইন্দ্রজিৎ সেন)


দ্বিতীয় প্রকাশ- ১৯৯৬
অ্যালবাম- স্বপ্ন নেই
শিল্পী- ইন্দ্রনীল সেন

কথা
পড়ন্ত আলোর ছটায় নেশা মন যেতে চায়
বিজনের চায়ের কেবিন
বসি গিয়ে জনা তিন, পায়াভাঙা উদাসীন
কয়েকটা চেয়ার টেবিল।

ধোঁয়া কালি রঙ চটা, একফালি দীর্ণতা
তবু যেন বিলাসিতা, রাজকীয় মত্ততা
গুঞ্জনে রাজ্যমুখর
আলোহীন চায়ের কেবিন।

কখনও বা দিন জুড়ে ব্যস্ত নগরে
ঝঞ্ঝাটে স্তব্ধ জীবন
পড়ে থাকে একা হায়, জনহীন দোকানে
বিষণ্ণ মালিক বিজন
বাকি প্রতি বিকেলে চামচে আওয়াজ তোলে
দেনাভারে শীর্ণ বিজন।

উষ্ণ চায়ের কাপে নেশাতুর রাত নামে
বয়ে চলে তরল জীবন
চলে এসো একদিন, দেখা হবে সেখানেই
বিজনের চায়ের কেবিন।
চলে এসো একদিন, দেখা হবে সেখানেই
বিজনের চায়ের কেবিন।